পরপর কয়েক বছর সামুদ্রিক মাছের খরা দিঘা মোহনা মৎস্য নিলাম কেন্দ্রে। ফলে ট্রলার মালিক থেকে মৎস্যজীবীরা আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখ দেখছিলেন। এ বছর ব্যাঙ্ক পিরিয়ড শেষের শিকার হয়ে যাওয়ার সময় মৎস্যজীবীরা আশাবাদী ছিলেন, এবার সামুদ্রিক মাছ ভাল পরিমাণ উঠে আসবে জালে। মরশুমের শুরুর দিকেই মৎস্যজীবীদের আশানুরূপ মাছ উঠে আসছে জালে। ইলিশের দেখা না মিললেও অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ ভাল পরিমান জালে জড়াচ্ছে। এর পাশাপাশি তেলিয়া ভোলা ও কই ভলা মৎস্যজীবীদের খুশির মাত্রা দ্বিগুণ করেছে। তার ওপর বাড়তি পাওনা বৃহৎ আকৃতির শংকর মাছ।
advertisement
আরও পড়ুন: তুমুল দুর্যোগে মমতার চপার! আচমকা কপ্টারের জরুরি অবতরণে চোট মুখ্যমন্ত্রীর! এখন কেমন আছেন?
পূর্ব ভারতের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য নিলাম কেন্দ্র দীঘা মোহনা মৎস্যনিলাম কেন্দ্র। চলতি বছরে সমুদ্রে মাছ শিকার শুরু হয়েছে। কিন্তু মাত্রা অতিরিক্ত গরম ও দাবদাহের জন্য প্রথম সপ্তাহের সমুদ্রে মাছ শিকারের পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। অবশেষে দিঘায় ঝিরঝির বৃষ্টি সঙ্গে দোসর হাওয়া মৎস্যজীবীদের মাছ শিকারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে বিগত কয়েকদিন। পরপর দুদিন দিঘা মোহনায় মৎস্য নিলাম কেন্দ্রে উঠে এল লক্ষ লক্ষ টাকার তেলিয়া ভোলা, কই ভোলা ও শংকরসহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ।
এদিন দিঘা মোহনা মৎস্য নিলাম কেন্দ্রে ৭০ কেজি ওজনের বৃহৎ একটি শংকর মাছ নিলামে ওঠে। এত বড় মাছ দেখতে পর্যটক ও স্থানীয়দের ভিড় লক্ষ্য করা যায় মৎস্য নিলাম কেন্দ্রে। শংকর মাছটি বৃহৎ আকৃতির হলেও দাম অত্যন্ত কম। মাছটি মাত্র তিরিশ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। মাছটির দাম যাই হোক না কেন মরশুমের শুরুতেই বৃহৎ আকৃতির মাছ জালে ওঠায় খুশি ওই ট্রলারের মালিকরা। শুরুতে ইলিশের দেখা না মিললেও দিঘার মৎস্যজীবীরা আশা করছে এই মরশুমে ইলিশ-সহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের জোগান প্রচুর পরিমাণে হবে মৎস্য নিলাম কেন্দ্রে।
Saikat Shee





