ইতিমধ্যেই মুম্বই সহ দেশের বিভিন্ন শহরে সফটবল খেলতে গিয়ে সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি। একবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে পেয়েছিলেন মাত্র দুই হাজার টাকা। এই সামান্য প্রাপ্তিতেও খুশি সোনাই, কারণ প্রতিটি অর্জনই তাঁকে নতুন জেদে পথ চলতে সাহায্য করে।এবার উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন তিনি। ইচ্ছে, কল্যাণীর কোনও কলেজে ভর্তি হয়ে খেলা ও পড়াশোনাকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
advertisement
আরও পড়ুন: ঝোপের আড়ালে ফোঁসফোঁস শব্দ! কালো কুচকুচে আতঙ্ক, সকলে ত্রাহি ত্রাহি রব
সেখানে সফটবলের উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ আছে।তাঁর মা মঞ্জু রায় পরিচারিকার কাজ করেন। খেলার সরঞ্জাম কেনা কিংবা প্রতিদিনের যাতায়াত সবটাই এক বিশাল চ্যালেঞ্জ তাঁদের কাছে। তবু হাল ছাড়েননি মা-মেয়ে কেউই।সোনাই বলেন, “খেলা আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে আর্থিক সহায়তা খুব দরকার। সরকার কিংবা কোনও বেসরকারি সংস্থা যদি পাশে দাঁড়ায়, তাহলে অনেকটাই সুবিধা হবে।” এমন লড়াকু মেয়ের পাশে দাঁড়ানো কি সময়ের দাবি নয়? সোনাইয়ের স্বপ্ন শুধু তাঁর নয় এ সমাজেরও, যে সমাজ এখনও প্রতিভার কদর করে।
সুরজিৎ দে





