আরও পড়ুন: কাতারে কাতারে লোক জড়ো হয়ে কী দেখছে? দার্জিলিংয়ে অবাক কাণ্ড! চমকাবেন আপনিও
পাহাড়ি গ্রাম তিনধরিয়ার ক্রিকেট বাজারে জন্ম হয়েছিল সঞ্জীব বাগদাসের । বাড়ির পাশ দিয়েই টয়ট্রেন ছুটতো রোজ। অন্যদিকে বাবাও টয়ট্রেনের লোকোমোটিভ ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাই টয়ট্রেনের প্রতি ফ্যাসিনেশন সঞ্জীব বাবুর ছোটবেলা থেকেই । বাবার কাছেই তিনি প্রথম মিনিয়েচার টয়ট্রেন বানানো শেখেন । সেই প্যাশন আজও ধরে রেখেছেন তিনি। তিনি তার ২৩ বছরে এত টয়ট্রেন বানিয়েছেন যে লোকে এখন তাকে টয়ট্রেন ম্যান হিসেবেই চেনে। সঞ্জীববাবুর বানানো এই টয়ট্রেন আজ সারা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। ইউকে, জাপান ,আয়ারল্যান্ড , আমেরিকা সহ নানা জায়গায় পাড়ি দিয়েছে তার তৈরি টয়ট্রেন।
advertisement
আরও পড়ুন: বড়দিনে শীতের কামড়? বাংলার এই ৫ জেলায় ঘিরে ধরছে কুয়াশা! আবহাওয়ার বড় খবর
সঞ্জীববাবু বলেন ” প্রথম যে জিনিসটি আমার দরকার ছিল তা হল একটি বাষ্প ইঞ্জিনের ব্লুপ্রিন্ট। ইংল্যান্ড থেকে আমার এক বন্ধু গ্লাসগো নামক স্কটল্যান্ড-ভিত্তিক কোম্পানি থেকে একটি সংগ্রহ করেছে এবং আমার কাছে পাঠিয়েছে। আমি হুবহু আসল টয়ট্রেনের মতই এই মিনিয়েচারগুলো বানানোর চেষ্টা করে আসছি।” যদি কেউ তাকে আসল টয় ট্রেনের মতন বড় ইঞ্জিন বানাতে বলেন তিনি সেটিও নিখুঁতভাবে তৈরি করে দিতে পারবেন বলে তার বিশ্বাস।তিনি আরও বলেন, ” জি আই সিট লোহা তামা এগুলি দিয়েই আমি আমার এই ইঞ্জিনগুলো তৈরি করি। এক একটি ইঞ্জিন তৈরি করতে সাত থেকে আট দিন সময় লাগে।” তার ইচ্ছে রয়েছে তিনি তার তৈরি ইঞ্জিন গুলোকে আরো সুন্দর ভাবে তৈরি করে সকলের সামনে প্রস্তুত করবেন।
অনির্বাণ রায়





