উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ ব্লকের বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ভাসিডাঙ্গা গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত কুলিক নদী। নদীর উপরে পাকা সেতু নির্মাণের জন্য বহুবার দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা। ভোট আসে ভোট যায় কিন্তু নদীর উপরে হয় না পাকা সেতু। ভাসিডাঙ্গা এই গ্রামের উপর দিক দিয়ে প্রভাবিত হয়েছে কুলিক নদী। নদীর এক পাড়ে হেমতাবাদ ওপারে রায়গঞ্জ ব্লক। রোজ এই সাঁকো পেরিয়ে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ লোকের যাতায়াত। বহু ক্ষেত্রে ঘটে যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনাও। পাশেই রয়েছে মোহিনীগঞ্জ-এর বিখ্যাত হাট। হাটে এলাকার মানুষজনকে মালপত্র নিয়ে যেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। স্কুলে আসার ক্ষেত্রে পড়ুয়ারদেরও সমস্যা হয়। অন্য পথ দিয়ে যেতে হলে অনেকটা ঘুরতে হয়। রাস্তায় প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকোর উপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয় মানুষকে।
advertisement
আরও পড়ুন: আপনার কি পান খাওয়ার অভ্যেস আছে? তবে কীভাবে খাচ্ছেন? এখনই বদলান নিয়ম!
আরও পড়ুন: চা-কফি ছাড়ুন…! শীতের সন্ধেয় সঙ্গীকে নিয়ে চুমুক দিন হট চকোলেটে, শরীর-মন মুহূর্তে চাঙ্গা!
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিন দিন মানুষের যাতায়াত বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁশের সাঁকোটি বেশ ঝূঁকিপূর্ণ। এই বাঁশের সাঁকোই এখন ভাসিডাঙ্গা সহ পাঁচটি গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা।
পিয়া গুপ্তা




