প্রতিবছরের মতো এবারও দূর দেশ থেকে হাজার হাজার পাখি এসে ঠাঁই নিয়েছে এই জলাভূমিতে। উত্তরে তুষারপাতের অগ্রদূত হাওয়া বইতেই ইসলামপুরের এই শান্ত পুকুরজুড়ে দেখা মিলছে বালি হাঁস, গার্গানি, নরসিং হাঁস, হুইসলার, গ্রেটার ক্রেস্টেড টার্ন থেকে শুরু করে বেগুনি কাঁক-একের পর এক দুর্লভ অতিথির।
আরও পড়ুনঃ যাত্রী সচেতনতায় মিষ্টিমুখ! টিকিট দেখিয়ে মিলল রসগোল্লা, পান্তুয়া, আয় বাড়াতে রেলের অভিনব কায়দা
advertisement
পুকুরের ধারে দাঁড়ালে এখন যে কেউ দেখতে পাবেন, আকাশে কখনও গোল বেঁধে উড়ে বেড়াচ্ছে এক দল পাখি, তো কখনও জলের বুক চিরে চলছে খাবারের খোঁজ। প্রকৃতি যেন নিজের সৌন্দর্যের ক্যানভাসে নতুন করে রং চড়াচ্ছে। বন দফতরের কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, পাখিদের এই আগমনই বলে দিচ্ছে, ইসলামপুরের জলাভূমিগুলো এখনও প্রাণবন্ত, সুস্থ।
“পরিযায়ী পাখি আসে মানেই জলাভূমির পরিবেশ ঠিক আছে,” – মুখে হাসি নিয়ে বলছেন স্থানীয় বনকর্মীরা। তাই শিকার রুখতে ও পরিবেশ রক্ষায় জোরদার নজরদারি শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, সুকান্ত পল্লীর বাসিন্দাদের মুখেও খুশির ছাপ। কেউ সকালেই ক্যামেরা হাতে হাজির হচ্ছেন, কেউবা সন্ধ্যার আলো–আঁধারিতে পুকুরপাড়ে বসে পাখিদের কলকাকলি শুনছেন। ক্রমেই বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়ও। স্থানীয় দোকানপাট থেকে শুরু করে ছোট ব্যবসায়ীদের মুখেও ফুটে উঠছে নতুন আশা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ভেরভেরি পুকুরের ধারে দাঁড়িয়ে এখন মনে হয়, এই শীত যেন শুধু ঠান্ডা নিয়ে আসেনি, নিয়ে এসেছে হাজার ডানার রঙিন কোলাহল, প্রকৃতির পুনর্জাগরণ। শহরবাসী ও প্রশাসনের নজরদারিতে এই পরিযায়ী অতিথিরা এ বছর নিরাপদেই শীত কাটাবে – আশা সকলেরই।





