জলপাইগুড়ির দক্ষিণ পাড়া সংলগ্ন বিলে শীত এলেই দেখা মেলে এদের। প্রায় প্রতি বছর পৃথিবীর কোনও না কোন দেশ বিশ্বের অন্য অঞ্চলে চলে যায় এই পাখিরা একটি বিশেষ ঋতুতে। সে ঋতু শেষে আবার ফিরে যায় আগের জায়গায়। এই আসা-যাওয়া চলতে থাকে প্রতি বছর কমবেশি একই সময়কালে। পক্ষী বিশেষজ্ঞরা বলেন, তাদের পরিযানের প্রধানত তিনটি কারণ, খাদ্যের সহজলভ্যতা, প্রতিকূল পরিবেশের মোকাবিলা আর বংশবৃদ্ধি। এবার দক্ষিণ পান্ডাপাড়ার এই বিলে প্রায় ১০-১২ হাজার পাখি আসবে বলে আশা রাখছেন বার্ড ওয়াচাররা। বর্তমানে প্রায় ১-২ হাজার পাখি চলেও এসেছে। তার মধ্যে দুই তৃতয়াংশই পরিযায়ী পাখি বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।
advertisement
আরও পড়ুন: স্বামী থেকেও নেই, জীবন নিয়ে চলেছে অগ্নিপরীক্ষা! তবু মুখে হাসি, দু’চাকায় তনুর একার সংসার!
আরও পড়ুন: ছটপুজোর আগেই হুড়মুড়িয়ে আগুন দাম বাড়ল, কিনতে গিয়েই পকেটে কোপ মধ্যবিত্তের, এবার কী হবে?
বার্ড ওয়াচারদের মতে লেজার হুইসলিং টিল, গ্রে হেডেড ল্যাপুইংয়ের দেখা মিলেছে ইতিমধ্যে। এছাড়াও শঙ্খচিলের পাশাপশি শীত প্রধান অঞ্চল থেকে প্রচুর অতিথি এসেছে এই বিলে। এলাকার মানুষ তাদের চিহ্নিত করছেন কানিবক, গোবগা, ধুপনি, গলিন্দা সহ নানা নামে। এই ঋতুতে আমাদের এখনকার আবহাওয়া কিছুটা ঠান্ডা হলেও পরিযায়ী পাখিদের আসল আবহাওয়ার কাছাকাছি থাকে। ফলে নদী বা বিল থেকে ওরা মাছ ও অন্যান্য খাবার পায়। কিন্তু বসন্ত এলে আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে ওরা আবার ওদের আসল ঠিকানায় চলে যায়।
সুরজিৎ দে





