ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক এলাকা জুড়ে। সন্ধ্যা থেকেই পরিবারের লোকেরা ওই যুবতীর খোঁজ শুরু করেছিল। কিন্তু রাত পেরিয়ে গেলেও মেলেনি কোনও খোঁজ। দিদিকে খুঁজতে এদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠেই বেরিয়ে পড়েছিল ভাই। আমবাগান পেরিয়ে ভুট্টা ক্ষেতের দিকে যেতেই ভাইয়ের নজরে আসে বেশ কিছুটা এলাকার ভুট্টা গাছ ভাঙা রয়েছে। কাছে যেতেই চক্ষু চড়কগাছ হয় ভাইয়ের। সেখানেই পড়ে রয়েছে তার দিদির নিথর দেহ।
advertisement
আরও পড়ুন: চোখেও স্ট্রোক হয়, কখনও শুনেছেন? কীভাবে বুঝবেন জানুন, দৃষ্টিশক্তি হারানোর ভয় থেকে বাঁচুন
অর্ধনগ্ন অবস্থায় ভুট্টা খেতে পড়ে রয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এদের ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পাড়া-প্রতিবেশী থেকে আশেপাশের গ্রামের বাসিন্দারা খবর পেয়ে ছুটে আসে মৃতদেহ দেখতে। মালদহের মোথাবাড়ি থানার হামিদপুর গ্রামের ঘটনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে মানিকচক থানার পুলিশ।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে মৃত যুবতীর বয়স ২৫। বাড়ি মোথাবাড়ি থানার হামিদপুর গ্রাম। পরিবারের লোকেদের দাবি, কেউবা কারা এদিন রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করেছে। তবে কী কারণে এখন তা নিয়ে ধঁয়াশায় রয়েছে পরিবারের লোকেরা।
আরও পড়ুন: সরস্বতী পুজোয় জোড়া ইলিশ! কিন্তু মালদহে যা ঘটল, কে আর সাহস করে খাবে!
এই বিষয়ে মৃত যুবতীর ভাই বলেন, ‘আমার দিদির কারও সঙ্গে কোনও প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। আমাদের সঙ্গে পাড়া-প্রতিবেশীর কারও শত্রুতাও নেই। তারপরও কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটল আমাদের সঙ্গে জানি না। আমাদের প্রাথমিক অনুমান কেউ বা কারা দিদিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করেছে। রাত থেকে দিদিকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। সকালবেলা খোঁজার সময় গ্রামের পাশে মাঠে ভুট্টা ক্ষেতের মধ্যে দেহ পড়ে থাকতে দেখি।’
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সরস্বতী পুজোর দিন বিকেলে পাড়ার ছোটদের সঙ্গে পুজো মণ্ডপে নাচ করেছিল যুবতী। তারপর খিচুড়ি রান্নার সময় হয়ে আসছিল। তাই প্রতিবেশীর বাড়িতে সবজি কাটার জন্য হাঁসুয়া নিতে যায়। হাঁসুয়া নিতে গিয়েই নিখোঁজ হয়ে যায়, দাবি পরিবারের লোকেদের। খুনের কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। যদিও মৃতদেহটি উদ্ধার করে ঘটনার তদন্ত নেমেছে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ।
হরষিত সিংহ






