শৈল শহরে ঘোরার পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চার অ্যাক্টিভিটিস এর মধ্যে অন্যতম এই রোপওয়ে। ধরে নিন আপনি খোলা আকাশে পাখির মত ডানা মেলে উড়ছেন এবং আপনার চোখের নীচে ভাসছে দার্জিলিংয়ের মন মুগ্ধ করা চা বাগান থেকে শুরু করে বরফের চাদরে মোড়া কাঞ্চনজঙ্ঘা ভাবলেই যেন গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে।
advertisement
বর্তমানে পাহাড়ের রানী দার্জিলিংয়ের সিংমারী বাজারে অবস্থিত এই রোপওয়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই অ্যাডভেঞ্চারের অভিজ্ঞতা নিতে দূর দূরান্ত থেকে পাহাড়ের এই ৭০০০ ফিট উচ্চতায় ছুটে আসে অ্যাডভেঞ্চার প্রেমীরা। ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রোপওয়েটি দার্জিলিংকে উপত্যকার তলদেশে অবস্থিত রঙ্গিত নদীর সিংলা বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। সকাল ১০ টা থেকে শুরু করে বিকেল চারটে পর্যন্ত চলে এই রোপওয়ে যা কেবল কার রাইড বলেও পরিচিত।
বর্তমানে ১২ টি কেবিন রয়েছে। দার্জিলিং মানেই পর্যটকদের কাছে এই অ্যাডভেঞ্চারাস যাত্রা। প্রতিনিয়ত এই জায়গায় ভিড় বাড়ছে পর্যটকদের। তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত দুদিন থেকে বন্ধ রয়েছে এই রোপওয়ে। ফলের প্রভাব পড়ছে সেখানকার স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ওপরেও। রোপওয়ে বন্ধ বলে দেখা নেই পর্যটকদের স্বাভাবিকভাবেই দোকানের ঝাপ নামিয়ে দিন গুনছে ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ‘আসল’ নাম কী বলুন তো…? এখনও জানেন না ‘উত্তর’! চমকে দেবে এই ১০ অজানা তথ্য
অন্যদিকে শৈলশহর দার্জিলিং নিয়ে এসেও অনেকেই এই স্বপ্ন না পূরণ করেই ফিরে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় এক দোকানদার সুধন শর্মা বলেন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ রয়েছে ঐতিহ্যবাহী রোপওয়ে, স্বাভাবিকভাবেই পর্যটকদের দেখা নেই এই এলাকায় ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য নেই। এই যান্ত্রিক ত্রুটি সারাতে আরও তিন চারদিন দিন সময় লাগতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
এই রোপওয়ে বন্ধ থাকায় স্বাভাবিকভাবেই মন ভার অনেক পর্যটকের। অনেকেরই মনে প্রশ্ন রয়েছে, কবে খুলবে এই রোপওয়ে..? তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে তিন থেকে চার দিন পরই পর্যটকদের জন্য খুলতে পারে এই রোপওয়ে।বর্তমানে এই রোপওয়ে খোলার আশায় দিন গুনছে সেই এলাকার স্থানীয় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পাহাড়ে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা।
সুজয় ঘোষ





