ড্রিংক অ্যান্ড ড্রাইভ রুখতে ট্রাফিক পুলিশের দাওয়াই ব্রেথ অ্যানালাইজার। হাসিমারা ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে এশিয়ান হাইওয়েতে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চলছে। আসলে পিকনিকের মরশুমে এশিয়ান হাইওয়ে সহ প্রধান সড়কগুলিতে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে। তদন্তে নেমে ট্রাফিক পুলিশ জেনেছে, যারা মদ্যপ অবস্থায় থাকছেন তাঁরা বেশি দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। এবার হাসিমারা ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিটি গাড়ির চালককে ব্রেথ অ্যানালাইজার দিয়ে টেস্ট করা হচ্ছে। পাশাপাশি বাইক চালকদের দিকে গুরত্ব সহকারে নজর রেখেছে পুলিশ।
advertisement
আরও পড়ুনঃ চলন্ত বাইকে আচমকা পিছন থেকে হামলা! চালকের পায়ে থাবা বসিয়ে পালাল লেপার্ড, তুমুল আতঙ্ক এলাকায়
কারণ গত বছর বাইক চালকরা বেশি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন। বিগত তিন মাসে এশিয়ান হাইওয়ে সহ প্রধান সড়কে অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটেছে। ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮০% ঘটনা মদ্যপ অবস্থায় যারা ছিলেন তাঁদের সঙ্গে ঘটেছে, এমনকি মৃত্যুও হয়েছে।
এদিকে এই এশিয়ান হাইওয়ের পাশে রয়েছে অসংখ্য পিকনিক স্পট। পিকনিকের সময় এখানে যথেষ্ট ভিড় হয়। একটু বিকেল হলেই পিকনিক করতে আসা মানুষেরা বাইক, গাড়ি নিয়ে ফিরতে শুরু করেন। চোখে পড়ে ট্রাফিকের অনিয়ম। এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা বাইকগুলির চালকদের মাথায় হেলমেট দেখা যায় না, ছোট গাড়ির চালকদের সিটবেল্ট দেখা যায় না। মাঝেমধ্যে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে ধরপাকড় চলে। তারপর ফের যেই কে সেই!
সাধারণত একটু রাত বাড়লেই দুর্ঘটনাগুলি ঘটছে। তাই এবার দুর্ঘটনা কমাতে রোজ বাইক ও প্রতিটি গাড়ির চালককে ব্রেথ অ্যানালাইজার দিয়ে টেস্ট করা হচ্ছে। এভাবেই মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি নিয়ে চলাচল কমতে পারে বলে দাবি ট্রাফিক পুলিশের।ব্রেথ অ্যানালাইজার টেস্টে ৪০ এমজি-র উপর যাদের পাওয়া যাচ্ছে তাঁদের থানায় পাঠিয়ে দিচ্ছে পুলিশ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই বিষয়ে হাসিমারা ট্রাফিক ওসি প্রভাত শর্মা জানান, “ব্রেথ এনালাইজার টেস্ট ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। এত দুর্ঘটনা ঘটছে, আর বেশিরভাগটাই মদ্যপদের সঙ্গে হচ্ছে। ৪০ এমজি-র উপর কোনও মদ্যপ ধরা পড়লে তাঁর লাইসেন্স আমরা বাজেয়াপ্ত করছি।”





