বনগাঁ শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে, বনগাঁ পৌরসভার এক অভিনব উদ্যোগ। শিশু গাছে খোদিত হচ্ছে নানা রকমের শিল্পকর্ম। বনগাঁ শহরের ওপর দিয়ে গেছে যশোর রোড অর্থাৎ ৩৫ নং জাতীয় সড়ক। এই ৩৫ নং জাতীয় সড়কের দু'ধারে, শতাব্দী প্রাচীন শিশু গাছ বনগাঁ শহরের ঐতিহ্য। অবিভক্ত ভারতবর্ষের সাক্ষী এই শিশু গাছ আজও বনগাঁবাসীকে নির্মল বাতাসের যোগান এবং ছায়া প্রদান করে আসছে।
advertisement
বারাসাত থেকে বনগাঁ পর্যন্ত এই যশোর রোড সম্প্রসারণ এর ক্ষেত্রে রাস্তার দু'ধারে থাকা শতাব্দীপ্রাচীন গাছ কাটা বাধ্যতামূলক। ইতিমধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে এই গাছ কেটে অন্যত্র আরও গাছ লাগানো হবে, বলেও ঘোষণা করেছে সরকার। শতাব্দীপ্রাচীন শিশু গাছের মধ্যে কোন কোন গাছ বয়সের ভারে বিভিন্ন সমস্যার জেরে মারা গেছে। শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে এবার সেই মৃত শিশু গাছগুলোকে কাজে লাগাচ্ছে বনগাঁ পৌরসভা। বনগাঁ পৌরসভার আধিকারিকদের অভিনব এই ভাবনায় বনগাঁর মানুষেরা উপকৃত হয়েছেন। অভিনব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বনগাঁবাসীরা।
মৃত গাছকে কাজে লাগিয়ে শহরের সৌন্দর্যায়ন করা যে সম্ভব, সেই ভাবনাকে বাস্তব রূপ দিতে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে পৌরসভা। কলকাতার বিভিন্ন আর্ট কলেজের ছাত্ররা এই মৃত শিশু গাছ গুলিকে কাজে লাগিয়ে সৌন্দর্যের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে। গাছের গুঁড়ি গুলিকে খোদাই করে বিভিন্ন রকমের শিল্পকর্ম তৈরি করছেন তারা। গাছে খোদাই করে তৈরি হচ্ছে নানান মুর্তি।
সৌন্দর্যায়নের ক্ষেত্রে এ এক বড় পদক্ষেপ বনগাঁ পৌরসভার। সাহিত্যের শহর বনগাঁ, সৌন্দর্যায়নের দিক থেকে রাজ্যের অন্যান্য শহরগুলোকে ইতিমধ্যেই টেক্কা দিতে শুরু করেছে। শহরের সৌন্দর্যে এবার নতুন পালক হতে চলেছে শিশু গাছে খোদিত নানা ধরনের শিল্পকর্ম। পৌরসভার এই উদ্যোগে খুশি শহরবাসী। তাদের এই উদ্যোগকে তারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। ওপার বাংলার মানুষেরা এই অভিনব শিল্পকর্মকে দেখে আপ্লুত হবেন এমনই আশা বনগাঁবাসীর।






