পাশাপাশি মোবাইলে আসক্তি বাড়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই নষ্ট হচ্ছে সামাজিক মেলবন্ধন। সেই জায়গাটিকে আমাদের সকলকে কাটিয়ে উঠতে হবে, বলেই মনে করেন এই প্রখ্যাত সাহিত্যিক। পাশাপাশি এদিন তিনি জানান বর্তমানে নতুন লেখক কম উঠে আসছেন তুলনায়, কিন্তু নতুন প্রজন্মের লেখকদের এই খরা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে সে ক্ষেত্রে কলকাতা বইমেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলেও তিনি জানান।
advertisement
আরও পড়ুন : পূর্বস্থলীতে গুলি চালানোর পেছনে বালি মাফিয়ারা? জোরদার তদন্ত পুলিশের
প্রযুক্তিকে সঙ্গে নিয়েই চলতে হবে আমাদের। তবে সে ক্ষেত্রে বইকে ভুলে গেলেও চলবে না, বই বিক্রির উদ্দেশেই শুধু বইমেলা করা হয় না সে ক্ষেত্রে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ আত্মিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে অনেক ক্ষেত্রে। বাংলাদেশের মানুষ প্রচুর পরিমাণে বই পড়েন। বাংলাদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলে জানান এই প্রখ্যাত সাহিত্যিক। পাশাপাশি বাচ্চাদের ক্ষেত্রে মোবাইলের আসক্তি কাটিয়ে বই পড়ার ইচ্ছা তৈরি করলে সেক্ষেত্রে সামাজিক বিকাশে অনেকটাই সহায়তা করবে বলেও মত সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের। পাশাপাশি এই দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বারাসাত লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, " জীবনটা এত সহজ জিনিস নয়, যে বই খুললেই ফেসবুক চলে আসবে। বই পরলে রসবোধ সৃষ্টি হয় মানুষের মধ্যে। তার জন্য ঘাটতে হবে বইয়ের পাতা। লাইব্রেরিতে বসে থাকতে হবে, সারাক্ষণ সোশ্যাল মিডিয়া করলে চলবে না।"
আরও পড়ুন : এয়ারপোর্টে আর কোনও সমস্যায় পড়বেন না 'এই' যাত্রীরা, বিশেষ প্রশিক্ষণ পেলেন জওয়ানরা
পাশাপাশি তিনি জানান সোশ্যাল মিডিয়ার পাশাপাশি টিভি সিরিয়ালগুলিও সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে বলেও জানান সংসদ। তাই জীবনের মান উন্নয়ন ঘটাতে বই পড়া উচিত বলেই মনে করেন এই চিকিৎসক সাংসদ।





