এই উদ্যোগের অন্যতম সংগঠক ও অঙ্কনশিল্পী অজিত ক্ষেত্রপাল জানান, ২০০৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক ব্যাচের প্রাক্তনীরা মিলিতভাবে এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। তাঁদের মতে, বিদ্যালয় শুধু শিক্ষার কেন্দ্র নয়, সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি। তাই বিদ্যালয়ের পরিবেশকে এমনভাবে সাজানো প্রয়োজন যাতে পড়ুয়ারা প্রতিদিন চোখের সামনে ইতিবাচক ও শিক্ষামূলক বার্তা দেখতে পায় এবং সেগুলি থেকে অনুপ্রাণিত হয়। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এই উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও প্রাক্তনীদের এই প্রচেষ্টাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ কাঁথি হাসপাতালে রক্তারক্তি কাণ্ড! ছাদ থেকে মরণঝাঁপ রোগীর, নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
তাঁদের মতে, প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের এমন অংশগ্রহণ প্রমাণ করে এই প্রতিষ্ঠান শুধু শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেখায় না, বরং তাঁদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও সামাজিক মূল্যবোধও গড়ে তোলে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এই রঙিন প্রাচীর দেখে মুগ্ধ। অনেকেই বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ অন্য স্কুলগুলির কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে, রঙিন চিত্রের মাধ্যমে এই বিদ্যালয় চত্বর এখন যেন এক উন্মুক্ত প্রদর্শনীতে পরিণত হয়েছে। শিল্প ও সামাজিক বার্তার এই মিলন শুধু সৌন্দর্যের আবরণ নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের এক নীরব আন্দোলন। প্রাক্তনীদের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, সচেতনতা ছড়াতে বড় মঞ্চের প্রয়োজন হয় না— একটি প্রাচীরই হতে পারে পরিবর্তনের ক্যানভাস।





