কৃষ্ণনগর স্টেশন সংলগ্ন রাস্তায় অবস্থিত এই বিখ্যাত কবি ও নাট্যকারের জন্মভিটে। সেখানে রয়েছে দুটি তোরণ। বর্তমানে জায়গাটি রেলের অধীনে। ৪ শ্রাবণ তাঁর জন্মতিথি উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কৃষ্ণনগর ঐকতান ও আন্তরিকের সদস্যরা সকাল থেকে উৎসবে মেতে ওঠেন। সকালে তাঁরা দুটি পৃথক শোভাযাত্রা বের করেন। এরপর কবির জন্মভিটেয় হাজির হয়ে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা রঙিন কাগজ, ফুলের মালা দিয়ে সাজিয়ে তোলেন।
advertisement
আরও পড়ুন: বর্ষায় এই ধানের চাষ ব্যাপক লাভজনক! কৃষকরা তাই চারা রোপণে ব্যস্ত
কৃষ্ণনগর ঐকতানের সদস্যরা সেখানে মাল্যদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার পর কৃষ্ণনগর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন দ্বিজেন্দ্রলাল রায় পার্কে কবির মূর্তিতে মূল্যবান করেন। শহরে যে যে জায়গায় ডি এল রায়ের মূর্তি আছে সর্বত্র মাল্যদান করা হয়। কৃষ্ণনগর স্টেশনে মূর্তিতে মাল্যদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্টেশন ম্যানেজার ও আরপিএফের ইন্সপেক্টর, রেলওয়ে পুলিশের আধিকারিক সহ অন্যান্যরা।
কৃষ্ণনগর ঐকতানের সভাপতি অরিন্দম দেব জানান, কবির জন্মভিটেয় শুধুমাত্র দুটি তোরণ আছে। ২০২০ সাল থেকে আমরা ওখানে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করে চলেছি। একসময় ভগ্নপ্রায় প্রাচীর ছিল, তা নিজেরাই ইট বালি সিমেন্ট দিয়ে সারাই করেছি। মাঝে মধ্যে এলাকাটি ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে নিজেরাই আমরা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে থাকি। আমাদের সংগঠন কৃষ্ণনগর ঐকতানের পক্ষ থেকে রেলের কাছে চিঠি দিয়ে জায়গাটি সংস্কার করার আবেদন জানানো হয়েছে। গত বছরে আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে রেলের ডিভিশনাল অফিসের আধিকারিকরা কয়েকবার এসেছিলেন জায়গাটি দেখতে। রেলের সহযোগীতায় জায়গাটি সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে। ছাউনি ও প্রাচীরের কাজ চলছে। খুব ভালো লাগছে। ভারতীয় রেলকে অভিনন্দন জানাই।
এদিকে কৃষ্ণনগর পুরসভা সহ সেখানকার আরও কয়েকটি সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইংরেজি ক্যালেন্ডার মতে ১৯ জুলাই ডি এল রায়ের জন্মদিন পালন করে। সব মিলিয়ে আজও কৃষ্ণনগরে সমানভাবে জনপ্রিয় ও প্রাসঙ্গিক এই মহান কবি ও নাট্যকার।
মৈনাক দেবনাথ






