আবারও ভাঙনে ভিটে মাটি হারানোর আতঙ্কে প্রহর গুণছেন মানিকচকের নতুন নদীঘাট এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবার। গত কয়েক বছর এই এলাকায় ভাঙন বন্ধ ছিল। চলতি মরশুমে গঙ্গার জলস্তর কমতে শুরু করায় নতুনঘাট এলাকায় শুরু হয়েছে ভাঙন। গত কয়েকদিন ধরে প্রায় ৫০ মিটার এলাকা জুড়ে নদী ভাঙতে শুরু করেছে। একেবারে গ্রামের পাশে চলে এসেছে গঙ্গা। যে কোন মুহুর্তে ভাঙনে বিলীন হয়ে যাবে এই গ্রাম। সেই আতঙ্কেই রয়েছেন বাসিন্দারা।
advertisement
আরও পড়ুন: পুরসভাকে বলেও লাভ হয়নি! সাপের উপদ্রব থেকে বাঁচতে এলাকা পরিষ্কারে নামলেন কাউন্সিলর নিজেই
অর্জুন চৌধুরী নামের এক বাাসিন্দা জানান, “নারায়ণপুর চড় এলাকায় আমরা বসবাস করতাম। ভাঙনে সমস্ত কিছু চলে গিয়েছে আমাদের। তারপর এখানে বসবাস শুরু করি, আবারও এখানে ভাঙন শুরু হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।”
মানিকচকের গোপালপুর, ভুতনির পর এবার গঙ্গা ভাঙন মানিকচকের নদী ঘাট এলাকা ভাঙনের জেরে নদীতে বিলীন হয়েছে কয়েকটি গাছ সহ আনুমানিক নদী পাড়ের ৫০ মিটার জমি।
বিগত বছরে নদী ভাঙনের জেরে নারায়ণপুর চড় এলাকা থেকে আনুমানি কয়েকশো পরিবার মানিকচকের নদী বাঁধে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেয়। কিন্তু কিন্তু আবারো মানিকচক ঘাটে এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র নদী ভাঙন।কোথায় যাবেন ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা তা নিয়ে রীতিমতো রাতের ঘুম উড়েছে তাদের।
ভাঙন কবলিত বাসিন্দাদের দাবি তাদের বসবাসযোগ্য কলোনির জায়গা না হলে খোলা আকাশের নিচে ঠাই নিতে হবে গঙ্গা ভাঙন তীরবর্তী এলাকাবাসীদের। ভাঙ্গনের কবলে পড়ে চরম দুর্দশায় পড়তে চলেছেন দূর্গত পরিবার গুলি। এমন পরিস্থিতিতে তারা কোথায় গিয়ে ঠাঁই নেবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। যার জেরে আতঙ্কের মধ্যেই দিন কাটছে দূর্গতদের।
তপন চৌধুরী নামের আরও এক বাসিন্দা জানান, “এলাকায় আবারও গঙ্গার ভাঙন শুরু হয়েছে। বাড়ির একেবারে সামনে গঙ্গা এসে পৌঁছেছে। যেকোনো মুহূর্তে আমাদের বাড়িঘর তলিয়ে যাবে। আতঙ্কে রয়েছি এমন কি আমাদের খাবারও মিলছে না। প্রশাসন কোন উদ্যোগ গ্রহন করছে না আমাদের জন্য।”
হরষিত সিংহ





