আরও পড়ুন: প্রেমে পাগল সারা আলি খান, বিলাসবহুল জীবনযাত্রা, বিজয় দেবেরকোন্ডার সম্পত্তির অঙ্ক শুনে আঁতকে উঠবেন!
মালদহ জেলা বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হিজল ফরেষ্ট প্রায় ২৫০ হেক্টর জমির ওপরে অবস্থিত। এ ছাড়াও হবিবপুর ব্লক-সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আরও হিজল বন। মালদহ জেলায় প্রায় ৫০০ হেক্টর জমিতে হিজল বন রয়েছে। তবে সিঙ্গাবাদের হিজল বন সবচেয়ে বড়। হিজল ফরেস্ট ঘিরে পর্যটনকেন্দ্র ও সেখানকার সৌন্দর্যায়ন করতে ইতিমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে বন দফতর। হিজল ফরেস্ট ঘিরে উদ্যান ও থাকার ব্যবস্থা করা হবে, শুরু হয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ের প্রস্তুতি।
advertisement
গুগল লোকেশন:
মালদহ জেলা বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়মিত হিজল ফরেস্ট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টহলদারী দেন বনকর্মীরা। বন দফতরের উদ্যোগে নিয়মিত সেখানকার জলাশয়গুলি পরিষ্কার করা হয়। পরিযায়ী পাখিদের থাকার জন্য জলাশয়গুলি বন দফতরের তরফ থেকে পরিষ্কার করা হয়। এ ছাড়াও চোরা শিকারিদের খপ্পর থেকে পরিযায়ী পাখিদের বাঁচাতে নৌকা করেও বন কর্মীরা পাহারা দেন গোটা এলাকায়।
মালদহ জেলার এই হিজল ফরেস্ট ঘিরে বিশাল পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে। এই হিজল ফরেস্ট-কে ঘিরে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠলে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রামের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অনেকটাই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ভারতবর্ষের বৃহত্তম এই হিজল বনকে জানতে পারবেন অনেকেই। এর জন্য প্রশাসনের উদ্যোগ প্রয়োজন। তাই স্থানীয়রা চাইছেন প্রশাসন গুরুত্ব সহকারে এগিয়ে আসুক এই হিজল ফরেস্ট ঘিরে পর্যটক কেন্দ্র গড়ে তুলতে।
হরষিত সিংহ





