১৯৩৮ সালের ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়ে, ১৯৪৭ সালের পিসি ম্যাথিউ প্ল্যাকিথোটিল, ১৯৫৭ সালের পকেট ক্যালেন্ডার, ১৯৬৪ সালের ছোট পকেট ক্যালেন্ডার ডায়েরি, ১৯৮৫ সালের সোভিয়েত ল্যান্ড ক্যালেন্ডার ইত্যাদি পুরনো ক্যালেন্ডার আজও আগলে রেখেছেন মালদহের ইংরেজবাজার শহরের ২ নাম্বার ওয়ার্ডের গ্রীন পার্ক এলাকার বাসিন্দা সুবীর কুমার সাহা। পেশায় গ্রন্থাগারিক হলেও নেশা তাঁর পুরনো জিনিস সংগ্রহ। তাই বাড়িতে আস্ত একটি সংগ্রহশালা গড়ে তুলেছেন নিজেই। পুরনো ও দুষ্প্রাপ্য সামগ্রীর হাজারও কালেকশন রয়েছে তাঁর কাছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বারাসতে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা! বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদেরও অংশগ্রহণ, সেরা হল কোন মহকুমা
গ্রন্থাগারিক সুবীর কুমার সাহা জানান, স্কুল জীবন থেকেই তিনি শখ করে বাড়িতে কিছু কিনে আনলে যত্নে রাখতেন। কলেজ লাইফে এক সময় একটি বইয়ের দোকান থেকে সোভিয়েত ল্যান্ডের ক্যালেন্ডার পেয়েছিলেন। আজও সেই ক্যালেন্ডারকে যত্নে রেখেছেন বাড়িতে। পাশাপাশি বাবার দেওয়া ১৯৫৭ সালের পকেট ক্যালেন্ডার, ১৯৬৪ সালের পকেট ক্যালেন্ডার ডায়েরি ইত্যাদি যত্ন রেখেছেন। এছাড়াও তার সংগ্রহে রয়েছে ১৯৩৮ এবং ১৯৪৭ সালের ক্যালেন্ডার।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এক সময় বর্ষবরণের আগের যে ক্যালেন্ডার পাওয়ার জন্য দেখা যেত মানুষজনের ছুটাছুটি। ডিজিটাল প্রযুক্তির দাপটে আজ বিলুপ্তপ্রায় সেই দিন ও তিথি বাহক কাগজের ক্যালেন্ডার। তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে ক্যালেন্ডারের চাহিদাকে টিকিয়ে রাখতে পুরনো ক্যালেন্ডারকে মাধ্যমে হিসেবে বেছে নিয়েছেন গ্রন্থাগারিক সুবীর সাহা। বছর ও যুগ বদলালেও কাগজের ক্যালেন্ডারের চাহিদা টিকিয়ে রাখতে তাঁর এমন সংগ্রহ সত্যি খুব দূরদর্শী বলে অভিমত অনেকের।





