মালদহের ভুতনির উত্তর চন্ডিপুর পঞ্চায়েতের কালুটনটোলা ও কেশরপুরে এই ভাঙন শুরু হয়েছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। প্রতিবছর বর্ষায় ভাঙন দেখা যায় গঙ্গা, ফুলহার নদীতে। এই বছরেও শুরু হয়েছে ভাঙন। ভাঙনের কবলে পড়ে ইতিমধ্যে দিশেহারা দুই ব্লকের বহু সাধারণ মানুষ।
আরও পড়ুনঃ স্কুলের ছাদে ড্রাগন ফল ফলিয়ে চমকে দিয়েছে পড়ুয়ারা
advertisement
স্থানীয় বিজেপি নেতা গৌরচন্দ্র মন্ডল বলেন, প্রতিবছর এই অঞ্চলে ভাঙন দেখা দেয় ব্যপক। ভূতনি চরের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ভাঙন হচ্ছে। ভাঙন নিয়ে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না।
রাজ্য সরকার কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কোথাও চাষের জমি আবার কোথাও বাড়িঘর ভাঙনের কবলে পড়েছে। এবার নতুন করে ভুতনির কালুটনটোলা ও কেশবপুরে শুরু হয়েছে গঙ্গার ভাঙন। গঙ্গার ভাঙন ও বন্যা থেকে রুখতে এই এলাকয় তৈরি করা হয়েছিল বাঁধ।
আরও পড়ুনঃ দোরগোড়ায় গঙ্গা! আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়েছে নদী পাড়ের বাসিন্দাদের
সেই বাঁধের একাংশ জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যপক হারে ভাঙন। আর সেই গঙ্গা ভাঙনের ফলে ইতিমধ্যেই কয়েকশ বিঘা চাষের জমি গঙ্গা গর্ভে তলিয়ে গেছে। পাশাপাশি নদীর তীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী বাড়ি ও ধীরে ধীরে গঙ্গা গর্ভে যেতে শুরু করেছে। যার ফলে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকায় ভাঙন শুরু হতেই বাড়িঘর সরিয়ে দিচ্ছেন বাসিন্দারা। তড়িঘড়ি জমির ফসল কেটে নিচ্ছেন বন্যার জলে ডুবে যাওয়ার আগেই। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ভাঙন কবলিত দুটি গ্রামে। নতুন করে বাঁধের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ভাঙন শুরু হওয়ায় ব্যপক আতঙ্ক শুরু হয়েছে গ্রামবাসীদের মধ্যে।
আরও পড়ুন ঃ রাজ্য স্তরের অ্যাথলেটিক্সে জয়জয়কার মালদহের, জেলার ঝুলিতে সোনা সহ ৯টি পদক
মালদহ জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন, ভাঙন দীর্ঘদিনের সমস্যা। কেন্দ্রীয় সরকার সেভাবে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। আমাদের রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব করা হচ্ছে।
হরষিত সিংহ





