তবে আজ বিভিন্ন কারণে বর্তমান প্রজন্মের কাছে চাহিদা হারাচ্ছে প্রাচীন সেই পরম্পরাগত সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য। তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে সংস্কৃত সাহিত্য ও ভাষাকে সহজ করে তুলতে অনুবাদের বিশেষ পদ্ধতি দেখালেন বিশেষজ্ঞ সংস্কৃত অনুবাদকরা। সংস্কৃত বিভাগের এক অধ্যাপক ডঃ শুভ্রজিৎ সেন জানান, “যেকোনও ভাষাকে গ্রহণযোগ্য করে তোলার মূল পদ্ধতি হচ্ছে অনুবাদ। তাই অনুবাদ না জানলে মানুষ কোন ভাষার স্বচ্ছ ভাবনা ও আক্ষরিক অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন না। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অনুবাদ মূলত দুই রকম হয়ে থাকে। আক্ষরিক অনুবাদ ও ভাবানুবাদ।
advertisement
আরও পড়ুন: ফরাক্কায় দিল্লির হাই-প্রোফাইল টিম! ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ ফুরনোর আগেই শুরু বড়সড় প্রস্তুতি
আক্ষরিক অনুবাদে অনুবাদ করলে শব্দের অর্থ অক্ষরে অক্ষরে নির্ভুল হবে। তবে এক্ষেত্রে অনেক সময় সঠিকভাবে ভাব প্রকাশ পায়না। ভাবানুবাদে অনুভূতি ও অর্থকে গুরুত্ব দিয়ে অনুবাদ করা হয়। এতে শব্দ হুবহু না মিললেও মূল ভাবনা সহজ ও স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ পাবে।” এদিন মালদহের গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক এক জাতীয় সম্মেলন। যেখানে সংস্কৃত পড়ুয়া ও আগ্রহীদের বোঝান হয় সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য অনুবাদের একাধিক সহজ পদ্ধতি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এক পড়ুয়া অনুপম মণ্ডল জানান, “সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য অনুবাদকদের পরামর্শে অনেক কিছু শিখতে পারলাম। কিভাবে যুগ যুগ ধরে অনুবাদ হয়ে আসছে সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য। প্রাচীন থেকে আধুনিক যুগে সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যের পরিবর্তনের একাধিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়।” প্রাচীন হলেও আজও এই সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য কে মানবসভ্যতার অন্যতম জ্ঞানভাণ্ডার হিসেবে দেখা হয়। জ্ঞানের ভাণ্ডার হলেও আধুনিক প্রযুক্তিক প্রজন্মের কাছে ক্রমশ চাহিদা হারাচ্ছে মূল সংস্কৃত। তাই সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্ব দরবারে আরও সমৃদ্ধ করে তুলতে বিশেষ এই অনুবাদ চর্চা চালাচ্ছেন অনুবাদকরা।





