একইভাবে এই রাজধানীতে একসময় বিশেষ অতিথিদের প্রবেশের জন্য তৈরি করা হয়েছিল দাখিল দরওয়াজা। যা আজও বর্ণনা করে সুলতানি আমলের রাজকীয় ব্যবস্থা কে। ইতিহাসবিদদের মতে, এটি রাজধানীর প্রধান ফটক ছিল। এর নির্মাণ শৈলীতে ইন্দো-ইসলামিক স্থাপত্যের ছাপ রয়েছে। এটি সেলামি দরওয়াজা নামেও পরিচিত। কারণ এই প্রধান গেট দিয়ে সুলতান বা গণ্যমান্য ব্যক্তি প্রবেশ করলে তোপ দেগে সম্মান জানান হত। এটি মূলত সম্পূর্ণ লাল ইট দিয়ে তৈরি। যেখানে টেরাকোটার কাজ রয়েছে।
advertisement
“আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন”
ইতিহাস গবেষক এম আতাউল্লাহ জানান, “রাজপ্রাসাদের প্রবেশের ক্ষেত্রে উত্তর দিকের এই প্রবেশদ্বারটি অবস্থিত। তবে ধ্বংস হওয়ার ফলে এটি ক্রমশ দক্ষিণ দিকে চলে গিয়েছে। প্রাচীন এই স্থাপত্যটির নির্মাণ এক সময়ে হয়নি। প্রথম মাহমুদ শাহ দ্বারা নির্মাণ শুরু হলেও পরে আরও অন্যান্য শাসক এই নির্মাণটি সম্পন্ন করে গিয়েছেন।”
ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুলতান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ দ্বারা নির্মিত হয় এই দাখিল দরওয়াজা। ১৪৩৫ থেকে ১৪৫৯ সালে এর নির্মাণটি করা হয়। এই দাখিল দরওয়াজা হচ্ছে দুর্গের প্রধান গেট যা রাজপ্রাসাদের উত্তরের দিকে অবস্থিত। মালদহের প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ গৌড় নগরীর দুর্গের প্রধান গেট হিসেবে পরিচিত এই দাখিল দরওয়াজা তথা সেলামি দরওয়াজা। রাজধানীর রাজপ্রাসাদে প্রবেশের সময় বিশেষ অতিথিদের স্বাগত জানান হত এই গেট দিয়ে। তবে সুলতানি আমলের শাসন ধ্বংস হলেও শতাব্দী প্রাচীন এই দাখিল দরওয়াজা যেন আজও দাঁড়িয়ে অতিথিদের পথ চেয়ে।
জিএম মোমিন





