বিশ্বকর্মা পুজোয় (viswakarma puja)ঘুড়ি ওড়ানো নিয়ে উন্মাদনা রয়েছে চোখে পড়ার মতো। ছোট-বড় নির্বিশেষে সবাই মেতে উঠেছেন ঘুড়ি ওড়ানোয়। অন্যান্য জেলার ঘুড়ি ব্যবসায়ীদের মধ্যেও আজকের দিনটার জন্য ব্যস্ততা ছিল চরমে। বিশ্বকর্মা পুজোর আগে থেকেই ঘুড়ি উড়ানোর জন্য প্রস্তুতি চলেছে। পছন্দসই ঘুড়ি কিনে আনা থেকে মাঞ্জা সুতো বানানো, সবই হয়েছে প্রয়োজনমতো। তবে এসবের ব্যস্ততা ছিল না পশ্চিম বর্ধমানে। শুধু পশ্চিম বর্ধমান বললে ভুল হবে। অবিভক্ত বর্ধমান, অর্থাৎ পূর্ব এবং পশ্চিম দুই বর্ধমানেই বিশ্বকর্মা পুজোর তুলনায়, মকর সংক্রান্তির আকাশে বেশি পরিমাণ ঘুড়ি উড়তে দেখা যায়।
advertisement
মাঞ্জা সুতো নিয়ে চিন্তিত রয়েছে পুলিশ প্রশাসন। তবে পশ্চিম বর্ধমান জেলার পুলিশ মহল বিষয়টি নিয়ে বিশ্বকর্মা পুজোর(viswakarma puja)দিনে বিশেষ চিন্তিত নয়। তবে দুর্ঘটনা এড়াতে যথেষ্ট সতর্ক রয়েছে পুলিশ। সতর্কতামূলক টহলদারি চালানো হয়েছে জেলার বিভিন্ন জায়গায়।
তবে জেলার দু-এক জায়গায় অল্পসংখ্যক ঘুড়ি উড়তে দেখা গিয়েছে। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন রীতি মেনে ঘুড়ি উড়িয়েছেন বেশ কিছু জায়গার মানুষ। যদিও সেখানে মাঞ্জা সুতো ব্যবহার নিয়ে যথেষ্ট বিধিনিষেধ বজায় ছিল। সমস্ত রকম বিধি-নিষেধ অবলম্বন করেই ঘুড়ি ওড়ানো হয়েছে। উৎসবের দিনে নজরদারি চালিয়েছে পুলিশও।
তবে গোটা রাজ্যের সঙ্গে দুই বর্ধমানের কেন এই উলটপুরান, তার সঠিক উত্তর সে অর্থে কেউ দিতে পারেননি। জেলার বেশিরভাগ মানুষই বলছেন, তারা দীর্ঘদিন দেখে আসছেন মকর সংক্রান্তিতে(viswakarma puja) দুই বর্ধমান জেলার আকাশে ঘুড়ি উড়তে দেখা যায়। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে এই রীতি। বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে ঘুড়ি ওড়ানো একটা বিশেষ নিয়ম হলেও, বরাবরই ব্যতিক্রম থেকেছে পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলা। তবে বেশ কিছু মানুষ বিশ্বকর্মা পুজোর দিনেও ঘুড়ি হাতে মাঠে নেমে পড়েছিলেন। কিন্তু গোটা রাজ্যের সঙ্গে তুলনা করলে, সেই সংখ্যা নগন্য।
Nayan Ghosh






