TRENDING:

ত্রাণ নিয়ে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় দুর্গতদের পাশে শিক্ষক-শিক্ষিকা সমিতি

Last Updated:

দুর্গত মানুষদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই বিপদসংকুল পথ অতিক্রম করে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিলেন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সদস্যরা।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
#দক্ষিণ ২৪ পরগনা : দুর্গত মানুষদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই বিপদসংকুল পথ অতিক্রম করে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিলেন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সদস্যরা। সারাদিন ধরে চলা বর্ষণ ও করোনা অতিমারি পরিস্থিতির মধ্যে সুন্দরবনে গোসাবার একেবারে শেষপ্রান্তে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় তারা এই ত্রান তুলে দেন।ঝিলা নদীর পাড়ে মরিজঝাঁপির পাশে ইয়াস প্লাবিত কুমীরমারী গ্রামে ৪৫০ জন গ্রামবাসীর জন্য একদিনের 'কমিউনিটি কিচেন' এর মাধ্যমে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি, ১৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা সামগ্রী ও ১৫০ টি দুর্গত পরিবারের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি (STEA)-র দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা কমিটির পক্ষ থেকে।
advertisement

বৃষ্টি মাথায় করেই দীর্ঘ সড়কপথ অতিক্রম করে গদখালিতে পৌঁছায় সমিতির প্রতিনিধি দল। সেখান থেকেই জলপথে একের পর এক নদী পেছনে ফেলে চার ঘন্টার জলপথ পেরিয়ে স্থলভাগের নেমে আবারো প্রায় আধঘণ্টা পিচ্ছিল রাস্তা হেঁটে স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষকরা পৌঁছন ধাপা পাড়া, সরকার পাড়া এলাকায়। সেখানে দুর্গত মানুষের জন্য একদিনের কমিউনিটি কিচেনের মাধ্যমে, দুপুরের খাবার হিসেবে ভাত, ডাল, সবজি, ডিম, চাটনির ব্যবস্থা করেন।

advertisement

এরপর, পার্শ্ববর্তী মনু পাড়া-তে সর্বস্ব হারানো পরিবারদের হাতে মশারি, গামছা, সর্ষেরতেল, সোয়াবিন, পেঁয়াজ, আলু, লবণ, সাবান ও স্যানিটারি ন্যাপকিন তুলে দেন সংস্থার কর্মীরা। ছাত্র-ছাত্রী দের হতে তুলে দেওয়া হয় খাতা-পেন।

এমনকি আবহাওয়া খারাপ থাকায় বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কমিউনিটি কিচেনের অস্থায়ী ছাউনিও। ফলে দাঁড়িয়েই খেতে হয় গ্রামবাসীদের।

শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক অনিমেষ হালদার বলেন, " সর্বস্ব হারানো এই অসহায় মানুষগুলিকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতে অনেক সাহায্যের প্রয়োজন। আমাদের সামর্থ্যমতো কিছু ত্রাণসামগ্রী তাঁদের হাতে তুলে দিয়েছি। কিন্তু বাংলার শিক্ষক সমাজ যে এই অসহায় দুর্গত মানুষদের পাশে আছে সেই মানবিক বার্তাটি পৌঁছে দিতে আমরা এই সুদীর্ঘ বিপদসংকুল পথ অতিক্রম করে এখানে এসেছি। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ উপকূলবর্তী প্লাবিত এলাকায় আমাদের এই "ত্রাণ বিতরণ" ও "কমিউনিটি কিচেন" কর্মসূচিচলতে থাকবে।"এছাড়াও, এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর মহকুমা সম্পাদক প্রদ্যোৎ হালদার, ক্যানিং মহাকুমার সম্পাদক প্রসেনজিৎ হালদার, জেলা কমিটির সদস্য পার্থ সাহা, রাজকুমার নন্দ, পার্থ নস্কর, অর্ঘ্য সরকার সহ সংস্থার অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা। ত্রাণ সামগ্রী পেয়ে খুশি দুর্গত এলাকার এই অসহায় মানুষগুলি।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
মরণোত্তর দানে অমরত্বের বার্তা, মৃত্যুকে জয় করার মানবিক অঙ্গীকার
আরও দেখুন

রুদ্র নারায়ন রায়

বাংলা খবর/ খবর/Local News/
ত্রাণ নিয়ে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় দুর্গতদের পাশে শিক্ষক-শিক্ষিকা সমিতি
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল