বৃষ্টি মাথায় করেই দীর্ঘ সড়কপথ অতিক্রম করে গদখালিতে পৌঁছায় সমিতির প্রতিনিধি দল। সেখান থেকেই জলপথে একের পর এক নদী পেছনে ফেলে চার ঘন্টার জলপথ পেরিয়ে স্থলভাগের নেমে আবারো প্রায় আধঘণ্টা পিচ্ছিল রাস্তা হেঁটে স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষকরা পৌঁছন ধাপা পাড়া, সরকার পাড়া এলাকায়। সেখানে দুর্গত মানুষের জন্য একদিনের কমিউনিটি কিচেনের মাধ্যমে, দুপুরের খাবার হিসেবে ভাত, ডাল, সবজি, ডিম, চাটনির ব্যবস্থা করেন।
advertisement
এরপর, পার্শ্ববর্তী মনু পাড়া-তে সর্বস্ব হারানো পরিবারদের হাতে মশারি, গামছা, সর্ষেরতেল, সোয়াবিন, পেঁয়াজ, আলু, লবণ, সাবান ও স্যানিটারি ন্যাপকিন তুলে দেন সংস্থার কর্মীরা। ছাত্র-ছাত্রী দের হতে তুলে দেওয়া হয় খাতা-পেন।
এমনকি আবহাওয়া খারাপ থাকায় বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কমিউনিটি কিচেনের অস্থায়ী ছাউনিও। ফলে দাঁড়িয়েই খেতে হয় গ্রামবাসীদের।
শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক অনিমেষ হালদার বলেন, " সর্বস্ব হারানো এই অসহায় মানুষগুলিকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতে অনেক সাহায্যের প্রয়োজন। আমাদের সামর্থ্যমতো কিছু ত্রাণসামগ্রী তাঁদের হাতে তুলে দিয়েছি। কিন্তু বাংলার শিক্ষক সমাজ যে এই অসহায় দুর্গত মানুষদের পাশে আছে সেই মানবিক বার্তাটি পৌঁছে দিতে আমরা এই সুদীর্ঘ বিপদসংকুল পথ অতিক্রম করে এখানে এসেছি। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ উপকূলবর্তী প্লাবিত এলাকায় আমাদের এই "ত্রাণ বিতরণ" ও "কমিউনিটি কিচেন" কর্মসূচিচলতে থাকবে।"এছাড়াও, এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বারুইপুর মহকুমা সম্পাদক প্রদ্যোৎ হালদার, ক্যানিং মহাকুমার সম্পাদক প্রসেনজিৎ হালদার, জেলা কমিটির সদস্য পার্থ সাহা, রাজকুমার নন্দ, পার্থ নস্কর, অর্ঘ্য সরকার সহ সংস্থার অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা। ত্রাণ সামগ্রী পেয়ে খুশি দুর্গত এলাকার এই অসহায় মানুষগুলি।
রুদ্র নারায়ন রায়






