সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের পরিসংখ্যান বলছে, সরকারি এই প্রকল্প সুপার ডুপার হিট। শুধু তাই নয়, পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে 'দুয়ারে সরকার'-এর শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। গত ১৬ অগস্ট থেকে 'দুয়ারে সরকার'-এর দ্বিতীয় দফা শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা নিতে এই ২৫ দিনের মধ্যে 'দুয়ারে সরকার'-এর ক্যাম্পে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪৫ শতাংশ মানুষ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট সংখ্যাটা দু কোটি সাতষট্টি লাখ কুড়ি হাজার একশো ছয় জন। আর এদের মধ্যে শুধু মাত্র দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেই রয়েছেন উনতিরিশ লক্ষ পাঁচ হাজার বাইশ জন।
advertisement
এর আগে প্রথম দফায় এই একই সময়সীমার মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় 'দুয়ারে সরকার' ক্যাম্পে গিয়েছিলেন আট লাখ মানুষ। মনে করা হচ্ছে 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্পের জনপ্রিয়তার কারণেই এই দফায় 'দুয়ারে সরকার' আগের চেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। 'দুয়ারে সরকার'-এ প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই গিয়েছেন 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্পের সুবিধা নিতে। 'দুয়ারে সরকার' প্রকল্পের এই বিপুল সাফল্যে খুশি স্থানীয় প্রশাসনও।
দেখা গেছে, 'দুয়ারে সরকার'-এর জনপ্রিয়তার বিচারে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পরেই রয়েছে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুর। আর এই তালিকায় সব শেষে রয়েছে কলকাতা। এখনও পর্যন্ত কলকাতায় 'দুয়ারে সরকার' প্রকল্পের ক্যাম্পে গিয়েছেন ছয় লাখ সাতাশ হাজার তিনশো অষ্টআশি জন মানুষ।
দেখা যাচ্ছে, 'দুয়ারে সরকার' প্রকল্পের ক্যাম্পে এখনও পর্যন্ত চারটি প্রকল্প সবচেয়ে চেশি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' ছাড়াও রয়েছে 'স্বাস্থ্য সাথী', 'খাদ্য সাথী'। এছাড়া কাস্ট সার্টিফিকেটের কাজেও অনেকে 'দুয়ারে সরকার'-এর ক্যাম্পে যাচ্ছেন। রাজ্যের মধ্যে দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। রাজ্যে সর্বাধিক দুয়ারের সরকারের ও পাড়ায় সমাধান প্রকল্পের মাধ্যমে সুবিধা পেয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রত্যন্ত গ্রাম বাংলার মানুষেরা। সাধারণ মানুষের মধ্যে দুয়ারে সরকারে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের জনপ্রিয়তা সবথেকে বেশি। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ যে ইতিমধ্যেই ফলপ্রসূ হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।






