ইতিমধ্যে আচমকা ওই মহিলার পরিবারের সদস্যরা ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডাঃ অপূর্বলাল সরকার ও সর্প বিশেষঞ্জ ডাঃ সমরেন্দ্র নাথ রায়ের সাথে যোগাযোগ করেন। ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসকরা রোগীর অবস্থা শুনে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসতে বলেন। প্রায় তিনঘন্টার পথ অতিক্রম করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে রোগীকে নিয়ে আসা হয়। ততক্ষণে রোগীর অবস্থা বেশ সংকটজনক।
advertisement
ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসকরা রোগীর অবস্থা দেখে বুঝতে পারেন সাপে কামড় দিয়েছে।ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের সিসিইউ বিভাগের চিকিৎসক অনুপম হালদার তড়িঘড়ি সিসিইউ তে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা শুরু করেন ওই মহিলার। ৪০ টি এভিএস দেওয়া হয়েছে সন্ধ্যা দেবী কে। এ বারের মত প্রাণে বেঁচে যান রোগী।
অন্যদিকে, বাড়িতে ইট গুছিয়ে রাখার কাজ করছিলেন বাসন্তী থানার আমঝাড়া গ্রামপঞ্চায়েতের আট নম্বর তিতকুমার গ্রামের কুদ্দুস খান। সেই সময় আচমকা একটি বিষধর সাপ তার ডান হাতে ছোবল মারে। সাপটি মেরে ফেলে তড়িঘড়ি চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে আসে ওই যুবক। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে।
ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের সর্পবিশেষঞ্জ চিকিৎসক সমরেন্দ্র নাথ রায় বলেন “বর্ষাকালে সাপের উপদ্রব বাড়ে। একটু সতর্ক ভাবে চলাফেরা করা উচিৎ। সাপে কামড় দিলে যত দ্রুত সম্ভব রোগী কে নিকটবর্তী সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া জরুরী। কারণ সাপে কামড় দিলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রথম ১০০ মিনিট অত্যন্ত জরুরী। তবে সঠিক সময়ে হাসপাতালে আসলে কোন সমস্যা হয় না।”
হাসপাতাল ও প্রশাসনের তরফ থেকেও বারংবার বার্তা দেওয়া হচ্ছে, ঝাড়-ফুঁক তুক-তাকে নয় সঠিক সময়ে চিকিৎসাতেই বাঁচে সাপে কামড়ানো রোগীর প্রাণ।
রুদ্র নারায়ন রায়






