এখন এই চিত্রই নজরে পড়বে বারুইপুর ফুলতলা, পিয়ালী টাউন সংলগ্ন মহকুমা ও ব্লক খাদ্য দপ্তরের এর অফিসে যাবার রাস্তায়। এমনকি বারুইপুর ব্লক অফিসও এই ক্যাম্পের কাছেই। প্রশ্ন উঠেছে কিভাবে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে, ক্যাম্প করে অর্থের বিনিময়ে রেশন কার্ডের বিভিন্ন ফর্ম ফিলাপ করা হচ্ছে ?
প্রকাশ্যে ফ্লেক্স ঝুলিয়ে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে ফর্মের মূল্য। এই কাজ এলাকার তৃণমূল সদ্স্যার কথামতো হচ্ছে বলে দাবী এই ক্যাম্পের প্রতিনিধিদের। যদিও সদস্যা সম্পূর্ণ অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা জানিয়েছেন নিজেদের দোষ ঢাকতে তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে ।
advertisement
অনেকেই অভিযোগ করেছেন, রেশন কার্ডের জন্য ফর্ম কিনতে মাঝে মধ্যে বেশি টাকা নিচ্ছেন। এর ফলে একাধিক বার গণ্ডগোলও হয়েছে। ক্যাম্পের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এইকাজ করলেও, পঞ্চায়েত সদস্যই এই টাকা ধার্য করে দিয়েছেন সকলের জন্য। সেই কারণেই ফ্লেক্স বানিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মোট ২০ টাকা দিলেই সমস্থ কাজ কমপ্লিট। সকাল থেকেই মানুষজন লাইন দিচ্ছেন এইসব ক্যাম্প গুলিতে। যদিও দুয়ারে সরকার চালু হাওয়ায় ভিড়ের সংখ্যাটা কিছুটা হলেও কম বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মদারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা মিতা দে বলেন, সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। নিজেদের পিঠ বাঁচাতে তার নামে দোষ চাপাচ্ছেন। তিনি অনেকবার তাদেরকে বারণ করেছেন। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা না মেনেই বসছেন তারা।
বারুইপুর মহকুমা শাসক সুমন পোদ্দার জানান, বিষয়টি সংবাদমাধ্যমের থেকে জানলেন। কাউকে জোর করা হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য নিউজ এইট্টিন লোকালের মাধ্যমে তিনি বার্তা দেন, সমস্যা থাকলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে গিয়ে সমস্যা মেটানোর। এক পয়সাও কাউকে দিতে হবেনা।






