TRENDING:

খুঁটিতে বাধা দুই সন্তান, চরম আর্থিক সমস্যায় উত্তরা

Last Updated:

স্বামী ও ছেলেদের চিকিৎসার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্য প্রার্থনা অসহায় উত্তরার

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
রুদ্র নারায়ন রায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বিগত প্রায় ১৪ বছর ধরে দুই সন্তান কে নিয়ে জেরবার বাবা, মা। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করিয়েও মেলেনি কোনো সুরাহা। দীনমজুরের কাজ করে সংসার যাপনের পাশাপাশি কোন রকমে চিকিৎসা চলছিল ছেলেদের। কিন্তু বর্তমানে এই অসহায় পরিবার আরো চরম সমস্যার সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীও আজ শয্যাশায়ী। ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার। এমত অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন অসহায় পরিবারের।
advertisement

ক্যানিং থানার ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ রেদোখালি গ্রামের, মাতলা নদীর তীরবর্তী খাসের ঘেরী পাড়ার বাসিন্দা নিমাই সরদার। ১৮ বছর আগে স্থানীয় গোলাবাড়ি গ্রামের উত্তরার সাথে বিয়ে হয়। দম্পতির এক পুত্র সন্তান হয়। ছেলের নাম রাখেন বিজয়। বড় হওয়ার পাশাপাশি, স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে থাকে সে। বিজয়ের বয়স যখন প্রায় পাঁচ বছর তখন থেকেই, তারমধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করতে থাকেন বাবা-মা। এরপর কথা বলা বন্ধ করে, এখানে ওখানে পালিয়ে যেতে থাকে বিজয়। বেশ কিছুদিন নিখোঁজও হয়ে যায় সে। অনেক খোঁজাখুজি করে সরদার পরিবার ফিরে পায় বিজয় কে।

advertisement

ইতিমধ্যে আরও এক পুত্র সন্তান হয় সরদার দম্পতির।ছোট ছেলের নাম রাখেন অজয়। কিন্তু বিধিবাম। বছর ছয় পর অজয়ও অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে। এখানে ওখানে পালিয়ে যেতে থাকে। এর ওর হাত ধরে টানাটানি করে। অধৈর্য্য হয়ে নিজের সন্তানদের সামলে রাখার জন্য বাড়িতেই খুঁটির গায়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখেন উত্তরা দেবী। এমনকি খাওয়া দাওয়ার সময়ও দড়ি দিয়ে বাঁধা থাকে ওই দুই সন্তান। তার মধ্যেই চলছিল দুই সন্তানের চিকিৎসা। কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা করিয়েও কোন ফল মেলেনি। চিকিৎসা খরচ বহন করতেও সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন তারা। তিন বছরের আরো একটি কন্যা সন্তান রয়েছে তাদের। কিন্তু আতঙ্ককে সঙ্গী করেই, মেয়ে কে ঘিরে নতুন করে বাঁচার চেষ্টা চালাচ্ছেন সরদার দম্পতি।

advertisement

ইতিমধ্যে পরিবারে একমাত্র উপার্জনকারী নিমাই সরদারও দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হন। চিকিৎসকদের কাছে জানতে পারেন, তার শরীরের ডানদিকের একটি কিডনী বিকল। ফলে সংসার ও পরিবারের সদস্যের চিকিৎসা চালাতে অপারগ হয়ে পড়েছেন উত্তরা দেবী।

নিমাই সরদারের স্ত্রী উত্তরা দেবীর দাবী, তিন সন্তান আর স্বামীকে নিয়ে কোন ভাবে বেঁচে রয়েছি। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন সরকারী ভাবে যদি আমার দুই সন্তান ও আমার স্বামীর সঠিক চিকিৎসার উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে হয়তো আমার মতো দরিদ্র পরিবার বাঁচতে পারবে। না হলে অচিরেই শেষ হয়ে যাবে এত গুলো জীবন।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
তারাপীঠ মন্দিরে এলে দেখা হবে না সন্ধ্যা আরতি!মন্দির কমিটির বড় সিদ্ধান্তে কিছুটা হতাশ হবেন
আরও দেখুন

যদিও এই ঘটনা জানাজানি হতেই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে এখনো সরকারি সাহায্যের আশায় দিন গুজরান করছেন উত্তরা সহ গোটা সরদার পরিবার।

বাংলা খবর/ খবর/Local News/
খুঁটিতে বাধা দুই সন্তান, চরম আর্থিক সমস্যায় উত্তরা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল