এই 'লক্সো' প্রোগ্ৰাম টি প্রধানত হল, একটি মা হসপিটালে আসা থেকে বাচ্চা জন্ম দেওয়া এবং বাচ্চাটিকে সুস্থ সবল ভাবে ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া অব্দি যে ধাপ গুলো রয়েছে, সেই সকল ধাপ গুলি কে একত্রে বলা হয় 'লক্সো'। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক এর কিছু নির্দিষ্ট প্যারামিটার তৈরি করে দেয়। যাতে বাচ্চা টি সুস্থ সবল নিরাপদ ভাবে জন্ম গ্ৰহন করা থেকে নিজের ঘর অব্দি পৌঁছতে পারে। এই প্যারামিটার গুলিতে পশ্চিমবঙ্গের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল গুলির মধ্যে সব থেকে ভালো ভাবে নিজেদের প্রমান করেছে সুন্দরবনের এই প্রত্যন্ত এলাকার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। সম্মান পাওয়ার পর আনন্দে আপ্লুত কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে কর্মরত নার্স ও ডাক্তার।
advertisement
কাকদ্বীপ সুপার স্পেস্যালিটি হাসপাতালে সুপার ডাক্তার কৃষ্ণেন্দু রায় বলেন, 'চলতি বছরে সেন্টাল গভমেন্টের লক্সো প্রোগ্রামে আমরা অংশগ্রহণ করেছিলাম। প্রোগ্রাম এ অংশগ্রহণ করার পর কেন্দ্রের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তরফে কিছু নির্দিষ্ট প্যারামিটার রয়েছে। আমরা সে বিষয়ে আবেদন করি। পশ্চিমবঙ্গের বহু সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিল। আমাদের অভিজ্ঞ ডাক্তার বাবু ও নার্সরা বিভিন্ন রকম পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়। তারপরেই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের বিশেষ প্রতিনিধি দল আমাদের হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। হাসপাতালে পরিদর্শনের পাশাপাশি রোগী ও রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং হাসপাতালের পরিকাঠামো সহ সমস্ত রকম ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। তারপরই, পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে লক্সো প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সুপারস্পেস্যালিটি হসপিটাল গুলির মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা জয় করি। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার এই হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তারবাবু ও নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সেরা স্বীকৃতি আমরা পেলাম। আমরা আনন্দিত, আমরা আপ্লুত। আগামী দিনেও এই রকম ভাবেই মুমূর্ষ রোগীদের পাশে থাকার আশা রাখছি।
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে স্বাস্থ্য বিষয়ে এই স্বীকৃতিতে স্বভাবতই খুশি কাকদ্বীপবাসী। অন্যদিকে, জেলার মধ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থায় আরো গুরুত্ব বাড়লো কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।






