দুটি খেঁজুর গাছের মাঝে তক্তপোশ দিয়ে মাচা বানিয়ে নিয়েছেন মল্লিক পরিবার। চারিদিকটা কোনো রকমে ঘেরা তার্পোলিন আর চট দিয়ে। দশ ফুট উচুঁ এই মাচাতে উঠতে বাশের সিঁড়ি ব্যবহার করেন পরিবারের সকলে। উপরে মানুষ আর নীচে বাড়ির পোষ্যরা। ভরা বর্ষায় জলের ঝাপটা ও হাওয়ার দাপটে বারে বারে বেসামাল হয়ে পড়ে সেই মাচা। তার উপর বিষাক্ত সাপ ও পোকামাকড়ের ভয় তো রয়েইছে। কিন্তু নিরুপায় মল্লিক পরিবার।
advertisement
এই খবর পাওয়ার পরই, তড়িঘড়ি ওই পরিবারগুলির পাশে দাঁড়িয়েছে ব্লক প্রশাসন। প্রতিটি পরিবারকে আলাদা করে চাল, ত্রিপল সহ অন্যান্য সাহায্য প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইয়াসের ক্ষতিপূরণের টাকাও পাবে পরিবারগুলি। নামখানার বিডিও শান্তনু সিংহ ঠাকুর বলেন,‘ ইয়াসে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে মৌসুনিতে। তারপরও চলছে টানা বৃষ্টি ও কোটাল। ওই পরিবারগুলিকে নতুন করে বাড়ি তৈরী করে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে চাল, ত্রিপল দেওয়া হয়েছে। বাড়ি ভাঙার ক্ষতিপূরণও পাবে। এছাড়া সরকারি আবাস প্রকল্পে বাড়ি তৈরীর জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে। আবেদন পেলেই অনুমোদন দেওয়া হবে।’
একেতেই, সর্বস্ব হারানো এই মানুষগুলির ঠাই হয়েছে খোলা আকাশের নিচে গাছের উপর। দোসর হিসেবে, প্রকৃতির রোষানলে পড়ে মাঝে মধ্যেই 'মরার উপর খাড়ার ঘা' হয়ে দাঁড়িয়েছে বৃষ্টিপাত। এখন কবে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি মিলবে সেদিকেই তাকিয়ে অসহায় পরিবার গুলি।






