অপরদিকে দলীয় কর্মী-সমর্থকরাও সেরে নিচ্ছেন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি পর্ব। রংবেরঙের আলো দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে কপিল মুনির আশ্রম চত্বর থেকে কচুবেড়িয়া আট নম্বর ভেসেল ঘাট সহ বিস্তীর্ণ এলাকা (Gangasagar Mela)। সাগরের ঢোকার মুখে কাকদ্বীপ এলাকাও সাজিয়ে তোলা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে। দলীয় সূত্রে খবর, দুপুর ২.৩০ নাগাদ হেলিকপ্টারেই গঙ্গাসাগরে পৌঁছবেন মমতা বন্দোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
advertisement
আবহাওয়া দফতর ইতিমধ্যেই দুর্যোগের পূর্বাভাস দিয়েছে, সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রীর সফর একদিন এগিয়ে আনা হল বলেই জানা যাচ্ছে (South 24 Parganas News)। গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি থেকে নিরাপত্তাসহ অতিথিদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা সবই স্ব-চক্ষে খতিয়ে দেখবেন তিনি। করোনা কালিন পরিস্থিতিতে কিভাবে সংক্রমণ এড়িয়ে, মেলা পরিচালনা করা যায় সেই বিষয়টির উপরি বেশি জোর দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। কোভিড পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে শুরু করে অ্যাম্বুলেন্স সমস্ত কিছুই থাকছে গঙ্গাসাগর মেলা প্রাঙ্গণে (Gangasagar Mela)।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, মেলা চত্বরে ৬০০ বেডের হাসপাতালের ব্যবস্থা রাখা হবে। তৈরি হচ্ছে ১১টি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। এ ছাড়াও থাকছে ৩ টি ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্স ও ১ টি এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স। কোনও রোগী গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে থাকবে গ্রিন করিডোরের ব্যবস্থাও। মেলা প্রাঙ্গণে কেউ হারিয়ে গেলে তাকে খুঁজে পাওয়ার জন্য থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা। ৭০টি বাড়তি ট্রেন চালানো হবে বলেও প্রশাসনিক সূত্রে খবর। ২২৫০ টি অতিরিক্ত বাস চালানো হবে পূণ্যার্থীদের মেলায় যাতায়াতের জন্য। সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই জেলা সফর ঘিরে বিশেষ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছে দলীয় সমর্থকদের মধ্যে।
Rudra Narayan Roy






