রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বরাবরই বলে এসেছেন, "ধর্ম যার যার , উৎসব সবার"। গঙ্গাসাগর রাজ্যের অন্যতম বড় মেলা (Gangasagar Mela)। রাজ্যের পাশাপাশি ভিন রাজ্য ও ভিন দেশ থেকেও অতিথিরা আসেন গঙ্গাসাগর মেলায়। মেলায় বড়সড় দুর্ঘটনা বা বিপত্তি যাতে না ঘটে, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে, মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে গঙ্গাসাগর আসছেন স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। চলতি বছরের ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর গঙ্গাসাগরেই থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। মেলার প্রস্তুতি থেকে নিরাপত্তাসহ অতিথিদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা সবই স্ব-চক্ষে খতিয়ে দেখবেন তিনি। করবেন প্রশাসনিক বৈঠকও। এবারও মেলাপ্রাঙ্গণ জুড়েই বসবে এক হাজারের বেশি সিসিটিভি (Gangasagar Mela)। থাকবে পাঁচটি অত্যাধুনিক কন্ট্রোলরুম। দশটি বাফার জোন করে চব্বিশ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হবে ড্রোনের মাধ্যমে। মেলাপ্রাঙ্গণে যানজট রুখতে সব গাড়িকে জিআই ট্যাগের আওতায় আনা হবে বলেও জানানো হয় প্রশাসনের তরফ থেকে।
advertisement
বিগত প্রায় বেশ কয়েক বছর ধরেই গঙ্গাসাগর মেলার পরিচালনার দায়িত্বে থাকতেন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তার প্রয়াণের পর এই প্রথম গঙ্গাসাগর মেলা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে (Gangasagar Mela)। তাই মুখ্যমন্ত্রী মেলার প্রস্তুতির বিষয়টি কারুর উপর ছেড়ে না দিয়ে, সশরীরে খতিয়ে দেখতে আসছেন বলে মনে করা হচ্ছে (Mamata Banerjee)। ইতিমধ্যেই বাংলার দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ আখ্যা দিয়েছে ইউনেস্কো। গঙ্গাসাগর মেলা কেও তাই বিশ্বের দরবারে বিশেষ জায়গা করে দিতেই তৎপর রাজ্য প্রশাসন। তাই কোন খামতি রাখতে চাইছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী আসার আগেই মেলার কাজ খতিয়ে দেখতে এইদিন গঙ্গাসাগর মেলার স্থান পরিদর্শনে আসেন জনসাস্থ কারিগরি ও পঞ্চায়েত দফতরের মন্ত্রী পুলক রায়। তিনি জানান, "মেলায় পরিকাঠামো তৈরি সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করা হয়। পরিকাঠাম তৈরীর কাজ ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ চলতি মাসের মধ্যেই শেষ করা হবে"। মুখ্যমন্ত্রী আসার খবর প্রচার হতেই, গঙ্গাসাগর জুড়ে যেন সাজো সাজো রব।
Rudra Narayan Roy






