স্বাস্থ্যবিধিকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেদার বকখালি সহ সমুদ্র সৈকতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা। মাস্ক ছাড়া মানুষদের দেখলেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছেন যমরাজ। আর তারপরই, সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ধাওয়া করতে শুরু করছেন "যমদূত"। পর্যটকদের পাকড়াও করে তাদের হাতে মাস্ক তুলে দেওয়া হচ্ছে। যমরাজ মাস্ক প্রদানের পাশাপাশি, পর্যটকদের আগামী দিনে করোনা স্বাস্থ্য বিধি মানার শপথ বাক্য পাঠ করাচ্ছেন।
advertisement
রাজ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসন্ন। তার আগে এদিন বকখালি ও মৌসুনি দ্বীপের পর্যটকদের সচেতন করতে এভাবেই অভিনব প্রচার করা হয় নামখানা ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে। লকডাউনে বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল হতেই, কলকাতার কাছে এহেন পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। পর্যটকদের ভিড়ের মাঝে উধাও করোনা স্বাস্থ্যবিধি। এর জেরে নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে।
জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র গুলির মধ্যে বকখালি ও মৌসুনি দ্বীপে প্রতিদিনই প্রায় পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় হচ্ছে। ইতিমধ্যেই পর্যটকদের উদ্দেশ্যে কিছু বিধিনিষেধ লাগু করা হয়েছে। পাশাপাশি, বকখালি ও মৌসুনি দ্বীপে আসা পর্যটকদের জন্য "বহুরূপীদের" মাধ্যমে করোনা সচেতনতা বার্তা দেওয়া হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়।
নামখানার বিডিও শান্তনু সিংহ ঠাকুর বলেন, যে সকল মানুষজন বকখালি , হেনরি আইল্যান্ড ও মৌসুনি দ্বীপে যাচ্ছে, সেই সকল পর্যটকদের কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র গুলিতে, হোটেলের সমস্ত কর্মচারী ও মালিকদের টিকাকরণ সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়াও, তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের বিভিন্ন বহুরূপী শিল্পীদের দিয়ে পর্যটন কেন্দ্র গুলিতে করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বার্তা দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের তরফ থেকে। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে কতটা সজাগ হন মানুষজন এখন সেটাই দেখার।






