পাশাপাশি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনের গোসাবা ব্লকের কুমিরমারি অঞ্চলের দক্ষিণ কুমিরমারি, বাগদা পাড়া, মৃদ্দে পাড়া সহ বিভিন্ন গ্রাম গুলিতে বাক্স মৌমাছির মধু চাষেও ক্ষতি হয়। ফলে মাথায় হাত মধু চাষীদের।
সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ মৌমাছি। আর এই মৌমাছির বাক্স পালন করে তৈরি হয় মধু। সুন্দরবনে কয়েক হাজার মধু চাষী বাক্সের মাধ্যমে মধু চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বর্তমানে সুন্দরবনের মধুর চাহিদা রাজ্য ও দেশ ছাড়িয়ে, বিদেশেও বেড়েছে। বিশেষ করে সুন্দরবনের খলসি, বাইন, কেওড়া সহ বিভিন্ন ম্যানগ্রোভ গাছের ফুলের মধুর চাহিদা হয়েছে দেশ বিদেশে। আর এই ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তান্ডবে তচনচ করে দিয়েছে মধু চাষের বাক্স গুলি। এমনকি, নোনা জল ঢুকে মারা গিয়েছে মৌমাছি। কয়েক হাজার বাক্স ও মৌমাছি ইয়াসের তাণ্ডব থেকে রক্ষা করতে পারেননি, সুন্দরবনের মধু চাষীরা। নদীর জলে ভেসে গিয়েছে মধু চাষের বাক্স গুলি। মধু চাষীরা জানান, কিছু বাক্স আশেপাশে তারা কুড়িয়ে পেয়েছে। যা দিয়ে আর মধু তৈরির কাজ করা সম্ভব নয়। এহেন পরিবারগুলির জীবন জীবিকা নির্ভর করত এই মধু চাষ এর উপরই। যা কিনা এখন বন্ধের মুখে। কিভাবে আবার মধুর বাক্স সংগ্রহ করবেন, কিভাবে বাক্সতে মৌমাছি দিয়ে মধু তৈরি করতে পারবেন তা ভেবে উঠতে পারছেনা মধু চাষিরা। সবদিক থেকে সুন্দরবনের কুমিরমারি সহ বিভিন্ন অঞ্চলের মধু চাষিরা অসুবিধার সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। প্রশাসনিক সাহায্যের জন্য আবেদন করলেও এখনো কোন সদুত্তর মেলেনি। ফলে বাক্সের মধ্যে মধু তৈরীর কাজ এখন, এক কথায় বলা যেতে পারে অথৈ জলে।
advertisement
রুদ্র নারায়ন রায়






