কর্ম হারিয়ে অনেকে হয়েছে বেকার বেছে নিয়েছে অন্য পথ। আর এই সমস্ত কিছু থেকে নতুন করে আবার পুরনো পরিবেশে ফিরতে (viswakarma puja)ঠাকুরের সহায় সাধারণ মানুষ। করো না থাকাতে অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্র তেমনি মৃৎশিল্পীদের অবস্থা ঠিক একই রকম।
কোনো মৃৎ শিল্পীর (viswakarma puja) মতে গত বারের তুলনায় ঠাকুরের অর্ডার কম, আবার বেশ কিছু মৃৎ শিল্পী জানাচ্ছেন ঠাকুর পুজো করার তেমন লোক নেই সেই কারণে নতুন অর্ডার আসবে কিভাবে আবার কেউ কেউ বলছে এই বার আসার আলো দেখতে পাচ্ছেন কাজের মধ্যে, আবার কেউ জানালেন। প্রতিবছর ভাদ্র সংক্রান্তিতে হয় এ বিশ্বকর্মা পুজো।
advertisement
বিশ্বকর্মা পুজোর (viswakarma puja) দিন বাড়িতে থাকা যন্ত্রপাতি, সরঞ্জামের প্রতি যত্নশীল হওয়া উচিত মনে করা হয় শাস্ত্র মতে। তবে এই নিয়ম ছাড়াও বহু প্রচলিত রয়েছে ঘুড়ি ওড়ানো। যা আজ বিলুপ্তির পথে। আধুনিকতার যুগে আজকে হারিয়ে যেতে চলেছে বাঙালির আবেগ। নতুন প্রজন্মের কাছে ঘুড়ি উৎসবের মাধুর্যতা প্রদানের উদ্দেশ্যে অশোকনগর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি কুমার জিৎ দত্ত মহাশয় ও অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভা ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর শ্রীমতি শিলা দে-র যৌথ উদ্যোগে অশোকনগর রবীন্দ্র সংঘের ময়দানে পালিত হল "ঘুড়ি উড়াই নতুন দিগন্তের আলোকে "।
বিশ্বকর্মা পুজো (viswakarma puja) উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন ১৮ নং ওয়ার্ড এ প্রাক্তন পৌর পিতা অসিত কুমার-দে মহাশয়, যুব সমাজের প্রতিনিধি হিসাবে শুভ্র কর সহ বিভিন্ন অঞ্চলের ঘুরি প্রেমী মানুষজন ও এতদঞ্চলের অধিবাসীবৃন্দ। এদিন এলাকার কচিকাচাদের নিয়ে ঘুড়ি উৎসবের মাতলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বরা এমনকি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের নামে উড়ানো হলো ঘুড়ি। এই ঘুড়ি উৎসব কে কেন্দ্র করে একটা সময় ছিল উন্মাদনা মানুষের মধ্যে যা আজ এই প্রজন্মের কাছে বিলুপ্ত। এই ছোট্ট প্রয়াস এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিশুরাও মাতলেন এই ঘুড়ি উৎসবে।
রাতুল ব্যানার্জি






