পাশাপাশি, সুন্দরবন এলাকার কৃষি জমিতে অতিরিক্ত জল দাঁড়িয়ে যাওয়ায় ফলে সমস্যায় পড়েছেন কৃষকরা। এমনকি বহু মাছ চাষের পুকুর টানা বৃষ্টির ফলে ভেসে গিয়েছে। ফলে মাথায় হাত মৎস্য চাষীদের। অন্য দিকে টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পান চাষ থেকে শুরু করে সবজি চাষেও।
সুন্দরবন এলাকার জলমগ্ন এই বিস্তীর্ণ এলাকা পরিদর্শনে বেড়ান ক্যানিং পশ্চিম এর বিধায়ক পরেশ রাম দাস, বাসন্তী কেন্দ্রের বিধায়ক শ্যামল মন্ডল, বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা সহ পঞ্চায়েতের প্রধান, উপ প্রধান ও পঞ্চায়েত সদস্যরা। বিধায়ক পরেশ রাম দাস ও শ্যামল মন্ডল জানান, বহু মানুষ সমস্যায় রয়েছেন। বহু বাড়িতেও জল ঢুকে গিয়েছে। চাষের জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে সব ধরনের সরকারি সুযোগ সুবিধা পায় সেই দিকটি দেখা হচ্ছে।
advertisement
এদিকে, টানা বৃষ্টির ফলে ক্যানিং মহকুমার কয়েক হাজার মানুষকে ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। এরমধ্যে গোসাবা ব্লকে সাড়ে তিন হাজার মানুষকে ত্রাণ শিবিরে রাখা হয় এবং ক্যানিং-এক নম্বর ব্লকে প্রায় ৪০০ জন মানুষকে ত্রান শিবিরে এনে রাখা হয়। গোসাবা বিডিও সৌরভ মিত্র জানান, টানা বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ফলে সাড়ে ৩ হাজার মানুষকে ত্রাণ শিবিরে এনে রাখা হয়েছে এবং সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আরো বেশ কয়েক দিন চলবে এই বৃষ্টি। ফলে আরও বেশি সমস্যায় পড়বেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা লাগোয়া সুন্দরবন এলাকার বহু মানুষ। এখন আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন এই এলাকার অসহায় মানুষগুলি।






