তবে গত কয়েক বছর ধরে এই খেলাটির সাথে হঠাৎ করেই জড়িয়ে পড়েছে মৃত্যুফাঁদ (death trap) শব্দটি । এর কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বেআইনি চাইনিজ মাঞ্জার (manja) ব্যাবহার । চাইনিজ মাঞ্জার অতিরিক্ত ধার ও প্রসারণশীলতার জেরে বহু পশু - পাখীর মৃত্যুর পাশাপাশি , গলা ও শরীরের অন্যান্য অংশ কেটে গিয়ে গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন বহু বাইক আরোহীও । অনেক ক্ষেত্রে বাদ দিতে হয়েছে হাতের আঙ্গুল, কানের মতো শরীরের নানান অংশও ।
advertisement
তাই এই মারণফাঁদ রুখতে বিশ্বকর্মা পুজোর (Vishwakarma Puja) আগে তৎপর হাওড়া সিটি পুলিশ। নিষিদ্ধ এই চায়না মাঞ্জা (manja) বিক্রির অপরাধে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে । নিষিদ্ধ এই মাঞ্জার ব্যবহার রুখতে , জনসচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগীও হয়েছে হাওড়া সিটি পুলিশ। বুধবার এই নিয়ে একটি অনলাইন সচেতনতা প্রোগ্রামের আয়োজনও করা হয়েছিল সিটি পুলিশের তরফ থেকে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে জেলার একাধিক পরিবেশপ্রেমী সংগঠনও।
হাওড়া জেলা যৌথ পরিবেশ মঞ্চ ও তার সাথী সংগঠন অনুভব এর যৌথ উদ্যোগে হাওড়ার বড়গাছিয়া , জগৎবল্লভপুর , পাঁচলার বিভিন্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার চায়না মাঞ্জার বিরুদ্ধে প্রচারাভিযান চালানো হয় । পাশাপাশি ঘুড়ি - মাঞ্জা বিক্রেতাদের Kite -flying) মানবিকভাবে বোঝানোও হয় এই বেআইনি মাঞ্জা বিক্রয় করা থেকে বিরত থাকতে । এই বিষয়ে হাওড়া জেলা যৌথ পরিবেশমঞ্চের সম্পাদক শুভদীপ ঘোষ জানান , " নিজের অজান্তেই মাঞ্জা ব্যবসায়ীরা তাদের নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনছেন । তাদের বিক্রি করা এই বেআইনি মাঞ্জার জেরে শুধুমাত্র সাধারণ মানুষই নয় , বিপদে পড়তে পারে তাদের পরিবারের সদস্যরাও । তাই এই মৃত্যুফাঁদের হাত থেকে পশুপাখি - সহ সমস্ত প্রাণীকুলকে বাঁচাতে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কেই সচেতন থাকতে হবে । " পাশাপাশি এই বছর বিশ্বকর্মা পুজোয় , " ঘুড়ি উড়ুক , চাইনিজ মাঞ্জা ছাড়াই " এই স্লোগানটিও তুলে ধরলেন তিনি ।
Santanu Chakraborty






