বাঁকুড়ার সামন্ত ভূম ছাতনা, ছাতনার প্রাণকেন্দ্র শুশুনিয়া পাহাড়। শুশুনিয়া পাহাড় কে দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন এক বিশাল হাতি শুয়ে রয়েছে। এবার পাহাড়ের ঠিক পিছন দিকে চলে যান, অর্থাৎ আদিবাসী গ্রাম শিউলিবোনা। গ্রামে ঢোকার আগে রাস্তার ডান দিকে রয়েছে পাহাড়ের সামনে সুবিশাল ফাঁকা উপত্যকাসম এক জায়গা।
আরও পড়ুন: শুশুনিয়ায় হয়েছিল ‘আশিতে আসিওনা’র শুটিং, বাঁকুড়ার এই জনপ্রিয় মিষ্টি চেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন খোদ ভানু
advertisement
যেখানে গেলে মনে হবে পৌঁছে গেছেন পহেলগাম। পাহাড়ের বিপরীতে সূর্যোদয় এবং পাহাড়ের পিছনে সূর্যাস্ত। আর সামনের এই সবুজ ঘাস আহ্বান জানাচ্ছে পর্যটকদের। পাহাড়ের গায়ে খেলা করছে কালো মেঘ। যখন তখন বৃষ্টি, আর প্রকৃতির ভিন্ন ভিন্ন ছন্দ। মন কেড়ে নেবে আপনার।
আসবেন কীভাবে? বাঁকুড়া শহর থেকে বাস ধরে চলে আসুন ছাতনার কামারকুলি মোড়। এবার গাড়ি কিংবা শেয়ার কার করে চলে আসুন শুশুনিয়া পাহাড়। তারপর সোজা চলে যান হাঁপানিয়া গ্রাম, ডানদিকে দেখতে পাবেন শিউলিবোনা লেখা মাইলফলক। সোজা ঢুকে যান শিউলিবোনা গ্রাম। এই চত্বরে রয়েছে রাজা চন্দ্র বর্মনের শিলালিপি। রয়েছে একটি ঝর্ণা। পাহাড়ের ওঠার আগে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
আরও পড়ুন: পাহাড়, জঙ্গল, বন্যজন্তু, লোকদেবীকে নিয়ে রহস্যের গল্প, ঘুরে আসুন বাংলার ‘আরাকু ভ্যালি’ থেকে!
কাশ্মীরের পহেলগামের নাম সকলের জানা রয়েছে। কিন্তু আপনি জানতেন কি বাঁকুড়াতে রয়েছে এত সুন্দর একটি মিনি পহেলগাম? দুর্দান্ত এই জায়গা একবার এলে বারবার আসতে ইচ্ছা করবে আপনার। ফিরে যেতে পারবেন না আপনার বাড়ি।
নীলাঞ্জন ব্যানার্জী





