দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরের আদলে নবনির্মিত সুদর্শন নবরত্ন মন্দির যা ভীষণভাবে মানুষের মন আকৃষ্ট করে। এই বিশাল মন্দিরে বিরাজ করে রয়েছেন কষ্টি পাথরের তৈরি মা দক্ষিণা কালী। এখানের শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ যা মানসিক তৃপ্তি অনুভব করে মানুষ। মন্দির লাগোয়া ছোট্ট বাগান, যা আরও শোভিত করেছে এই স্থানকে।
“আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন”
advertisement
হাওড়ার মুন্সিরহাট সংলগ্ন ব্রাহ্মণবাড়া শ্মশান এখন বহু মানুষের মন ভাল করার স্থান। মূল মন্দিরের সামনেই রয়েছে একটি শিবের মন্দির। আর দিন কয়েক পর, মহাসমারহে নবরত্ন মন্দির প্রতিমার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২৮ শে মার্চ। কয়েকদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন। সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিখ্যাত সাধু সন্ন্যাসীর উপস্থিতিতে পুজো হোম যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে। তা কেন্দ্র করে আরও উৎসাহ দেখা দিয়েছে মানুষের মধ্যে।
আরও জানা যায়, মন্দির চত্বরে বিশাল আকৃতির শিবের মূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা বিভিন্ন বয়সের মানুষ এসে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটাচ্ছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মনোরম পরিবেশ ক্যামেরাবন্দী করছে অনেকই। মন্দিরের সামনের বাগানে রয়েছে হরতকি বহেড়া লাল চন্দন সাদা চন্দন ও রুদ্রাক্ষর মত বিভিন্ন গাছ, যা একাংশের মানুষকে ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে।
এখানে আসা মানুষজনদের কথায়, দক্ষিণেশ্বরের আদলের মন্দির এটি শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভীষণভাবে মন আকৃষ্ট করে। এখানে এলে মানসিক শান্তি মেলে। এ প্রসঙ্গে বিশালক্ষী মাতা মহা ঠাকুরানি মন্দিরের সভাপতি তপন চ্যাটার্জি জানান, এটি একটি পূর্ণভূমি পঞ্চমন্ডি আসন। সাধনা পিঠ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে এটি। গত কয়েক বছরে নানাভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। সারাদিন সমস্ত বয়সের মানুষজন আসেন দীর্ঘক্ষণ সময় কাটান। মন্দিরের আকর্ষণের পাশাপাশি মন্দির সংলগ্ন বাগান অন্যতম আকর্ষণ।
রাকেশ মাইতি





