জয়দেব-কেন্দুলিতে বিরাট চমক অনুব্রতর...! একতারা হাতে ‘হৃদ মাঝারে’? ঐতিহ্যবাহী বাউল সুরে মেলা মাতালেন কেষ্ট
- Reported by:Sudipta Garain
- hyperlocal
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
Anubrata Mondal In Kenduli: ঐতিহ্য মেনে শুরু হল জয়দেব মেলা! উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল বীরভূমের দাপুটে নেতা তথা এসআরডিএ চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডলের এক অন্য রূপ। হাতে একতারা তুলে নিয়ে বাউলদের সঙ্গে সুর মেলালেন তিনি।
advertisement
1/7

মকর সংক্রান্তির পুণ্যতিথিতে অজয় নদের তীরে বীরভূমের লোকসংস্কৃতির প্রাণের উৎসব 'জয়দেব-কেন্দুলি মেলা' ২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক সূচনা হল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ্যের অন্যতম এই প্রাচীন মেলার উদ্বোধন করা হয়।
advertisement
2/7
এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল বীরভূমের দাপুটে নেতা তথা এসআরডিএ চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডলের এক অন্য রূপ। হাতে একতারা তুলে নিয়ে বাউলদের সঙ্গে সুর মেলালেন তিনি।
advertisement
3/7
এদিন উদ্বোধনের পর যখন বাউলরা তাঁদের চির চেনা ছন্দে গান ধরেন, তখন নিজেকে আটকে রাখতে পারেননি অনুব্রত মণ্ডল। হাতে একতারা তুলে নিয়ে বাউল শিল্পীদের সঙ্গে গলা মেলান তিনি।
advertisement
4/7
জনপ্রিয় গান "হৃদ মাঝারে রাখিব ছেড়ে দেব না" এই গানের তালে তালে একতারা হাতে তাঁকে পা মেলাতে দেখা যায়। তাঁর এই ছন্দময় উপস্থিতি উপস্থিত দর্শক ও পুণ্যার্থীদের মন কেড়ে নেয়। তাঁর সঙ্গে বাউল গানে এদিন একসুরে তাল মেলান বীরভূম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান প্রলয় নায়েকও।
advertisement
5/7
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অনুব্রত মণ্ডল মেলার প্রাচীনত্ব ও মাহাত্ম্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "জয়দেব মেলা বহু পুরনো মেলা, কেউ বলে ৪০০ বছর আবার কেউ বলে ৬০০ বছরের পুরনো। এই মেলার একটা আলাদা গুণ আছে। সংক্রান্তির স্নান আর এখানকার সুন্দর পরিবেশ মানুষকে টানে। পুলিশ ও প্রশাসন মেলা পরিচালনার জন্য খুব ভালো কাজ করছে।" বাউল গানের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, "বাউল একটা পুরনো গান, এর আলাদা অস্তিত্ব আছে। আমি বাউল গান খুব ভালোবাসি।"
advertisement
6/7
কবি জয়দেবের অমর সৃষ্টি 'গীতগোবিন্দ' এর স্মৃতিধন্য এই পুণ্যভূমিতে ইতিমধ্যেই লক্ষাধিক বাউল, কীর্তন শিল্পী ও পুণ্যার্থীর সমাগম হয়েছে। অজয় নদের চরে গড়ে ওঠা অস্থায়ী আখড়াগুলোতে এখন শুধুই বাউলের সুর আর খোল করতালের আওয়াজ।
advertisement
7/7
প্রশাসন ও জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং নিরাপত্তার জন্য কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিন বাউল ফকিরদের আনাগোনায় এবং পুণ্যার্থীদের ভিড়ে জয়দেব-কেন্দুলি এক টুকরো মিলনতীর্থে পরিণত হবে।সুদীপ্ত গড়াই
বাংলা খবর/ছবি/পশ্চিমবঙ্গ/
জয়দেব-কেন্দুলিতে বিরাট চমক অনুব্রতর...! একতারা হাতে ‘হৃদ মাঝারে’? ঐতিহ্যবাহী বাউল সুরে মেলা মাতালেন কেষ্ট