মন্দিরের গর্ভগৃহের সামনেই রয়েছে একটি বিরাট পুকুর। এই সতীপীঠে ফুল্লরা দেবীর মন্দির প্রথম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কৃষ্ণানন্দ গিরি। ইতিহাস ঘাটলে জানতে পারবেন একসময়ে মন্দিরের চূড়ায় স্বর্ণকলস শোভা পেত। প্রচলিত এবং প্রাচীন রীতি অনুযায়ী অন্যান্য পীঠের মতো এখানেও রয়েছে বিশ্বেশ্বর ভৈরব শিবের একটি প্রাচীন মন্দির। বর্তমান মন্দিরটি নির্মাণ করিয়েছিলেন যাদবলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।
advertisement
রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বরাদ্দ টাকায় মন্দিরের খুব কাছেই নতুন গেস্ট হাউস তৈরি হবে দূর দূরান্তের পর্যটকদের রাত্রিবাসের জন্য। তার সামনেই পুজো সামগ্রীর মোট আটটি দোকান ঘর নির্মাণ করা হবে। সেগুলিকে ভাড়া দেওয়া হবে স্থানীয় মানুষদের। এই দোকানঘরের উপরে দু’টি ডরমেটরি রুম নির্মাণ করা হবে সাধুসন্তদের জন্য। মূল মন্দিরের সামনে আটচালার মধ্যে তিনটি আলাদা জায়গায় নির্মাণ করা হবে যজ্ঞস্থল। যেখানে ভক্তরা এসে যজ্ঞ করতে পারবেন।
এর পাশাপাশি লাভপুর মন্দির মন্দির সংলগ্ন ফাঁকা জায়গায় শিশুদের জন্য গড়ে উঠবে বিনোদন উদ্যান। পার্ক সহ আশপাশের এলাকায় একাধিক বসার আসন তৈরি হবে। রোদ, জল, ঝড়, বৃষ্টি থেকে বাঁচতে তার উপর করা হবে শেড। এছাড়াও মন্দির সংলগ্ন এলাকা ও পার্শ্ববর্তী স্থানগুলির সৌন্দর্যায়ন এর কাজ শুরু হয়ে গেছে। ভক্তদের জন্য বসে ভোগ খাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সৌভিক রায়





