শিক্ষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী পাচ্ছেন অশোককুমার হালদার। মালদহের অশোক কর্মজীবন শুরু করেছিলেন রেলের নিরাপত্তাকর্মী হিসাবে। মালগাড়ির একাকিত্ব কাটাতে কাজের ফাঁকেই লেখা শুরু করেন তিনি। পরে সাহিত্যিক হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে লেখালিখির পর ২০২৬ সালের পদ্মসম্মানের তালিকায় উঠে এসেছে তাঁর নাম।
মালদহের ইংরেজবাজার শহরের বিধানপল্লী এলাকার বাসিন্দা অশোক কুমার হালদার। একসময় রেলের গার্ড হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন ট্রেনের শেষ প্রান্তে বসে। হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পরিক্রম করেছেন ট্রেনে বসে। কর্মজীবনের সময়ই তাঁর চিন্তাভাবনা বিকাশ পায়। কাজ থেকে বাড়ি ফিরেই লিখতে বসে যেতেন। লেখালেখির অভ্যাস থেকেই একদিন তাঁর লেখা বই প্রকাশিত হয়।
advertisement
কখনও কোনও পত্রিকায়, কখনও বইয়ে প্রকাশ পেয়েছে অশোক কুমার হালদারের লেখা। তাঁর প্রথম বই ‘সার্চ আউট ট্রুথ ইন দ্য লাইট অফ নলেজ’। মোট ১৩ টি বই লেখেন তিনি। সাহিত্যিক অশোক কুমার হালদার জানান “কাজ থেকে ফিরে লেখালিখি করতাম। শখ যে এতদূরে এসে পৌঁছাবে, ভাবতে পারিনি। পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হব জেনে খুব ভাল লাগছে।”
রেল কর্মী হিসেবে কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়েছেন ৬ বছর আগে। বর্তমানে তাঁর বয়স ৬৬ বছর। পরিবারের রয়েছে দুই ছেলে ও স্ত্রী। ছেলে কিংকর হালদার জানান, “ছোটবেলা থেকেই বাবাকে লেখালেখি করতে দেখতাম। অনেকগুলো বই লিখেছেন বাবা। ‘দ্য র্যাডিক্যাল চেঞ্জ অফ হিউম্যান সোসাইটি এন্ড উইথ ইটস সায়েন্টিফিক অবজারভেশন’ বইটির জন্য পদ্মশ্রী সম্মান দেওয়া হবে তাঁকে। বাবার সাফল্যে আমরা সবাই আপ্লুত।”
আগামী কয়েক দিন পর পদ্ম সম্মানে ভূষিত হবেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মোট ১৩১ জন। পদ্মশ্রী সম্মানে পুরস্কৃত করা হবে রাজ্যের ১১ জনকে।





