অনেকে টেনশন, দুঃখ, যন্ত্রণা প্রভৃতিগুলোকে কাটিয়ে উঠতে পারলেও কোনও কোনও মানুষ এগুলোকে কাটিয়ে উঠতে পারে না। তারাই এই মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হয়। বর্তমান সময়ে অনেক তরুণরা মানসিক অবসাদে ভুগছে। এই ক্ষতি ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ পর্যন্ত গড়াচ্ছে। দার্জিলিংয়ের ডেপুটি সিএমওএইচ, আনোয়ার হোসেনের কথায়, “বর্তমানে তরুণদের মানসিক অবসাদগ্রস্থ হওয়ার একটি মূল কারণ দুঃখ-কষ্ট গুলো কারও সঙ্গে ভাগ করে না নেওয়া। আগে যেমন যৌথ পরিবারের সকলে নিজেদের সুখ-দুঃখ গুলো সবার সঙ্গে ভাগ বাটোয়ারা করে নিতে এখন আর তেমনটা হয় না।”
advertisement
আরও পড়ুনঃ জেলায় চাকরি খুঁজছেন? আর দেরী করবেন না, আজই মোটা বেতনের এই চাকরির আবেদন করুন
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রত্যেকের জীবনেই যখন তখন হানা দিতে পারে অবসাদ। নানা কারণে মন অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে। কখনও কাজের চাপে, কখনও চাকরির সমস্যা, কখনও সাংসারিক জীবনে অশান্তির কারণ, কখনও পরীক্ষায় ভাল ফল না হওয়া, কখনও অন্যদের থেকে কোনও ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার ভয় অজান্তেই মনকে ভারাক্রান্ত করে তোলে।
চিকিৎসক আনোয়ার হোসেন বলেন, “দৈহিক ও মানসিক শক্তি ক্ষয়ের ফলেই অবসাদের সৃষ্টি হয়। তাই দেহ ও মনের সুস্থতা ও সক্রিয়তা আনার মাধ্যমে অবসাদ দূর করা সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, তরুণদের অবসাদগ্রস্থ হওয়ার পেছনে অভিভাবকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদেরকেও এই সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। গাছের পরিচর্যা, যোগাসন, ছবি আঁকা, ভ্রমণ, বই পড়া, সাংগঠনিক কাজে সময় দেওয়া, নানান সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে ব্যস্ত রাখার মাধ্যমে অবসাদ থেকে কাটানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। বেশি সমস্যা দেখা দেয় তবে প্রয়োজনে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাউন্সেলিং করানো যেতে পারে।
অনির্বাণ রায়





