জবা ফুল বলতে যে ধারণা একসময় মানুষের মধ্যে সঞ্চিত ছিল, সেই ধারণা বর্তমান সময়ে অনেকটা আলাদাই বলা চলে। রং বাহার এবং পাপড়ির সৌন্দর্য যেন গোলাপকেও পিছনে ফেলে জবা। সেই দিক থেকে, জবার প্রতি আগ্রহ এবং সখ বাড়ছে মানুষের। তাই অনেকেই জবা গাছ লাগাচ্ছেন। সঠিক পরিচর্যা না জেনে জবা গাছ লাগিয়ে বাঁচিয়ে রেখে ভাল ফুল পাওয়া সম্ভব নয়। তাই অভিজ্ঞ পালনকারীদের মতে, গাছ লাগানোর প্রাথমিক জ্ঞান থাকলেই শুধু হবে না। গাছ তৈরি করে ভাল ফুল পেতে হলে জবা গাছ পালনের প্রকৃত পথ অবলম্বন করতে হবে।
advertisement
আরও পড়ুন: জিলিপি আর বাদামের জন্য বিখ্যাত এই মেলা! সারি সারি দোকানে মেলে অর্ধেক দামে মিষ্টি
তাইওয়ান, অস্ট্রেলিয়া বা আমেরিকার জবা যেগুলি আমাদের আবহাওয়ার সঙ্গে খুব সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না। তার জন্য অনেক বেশি কেয়ার এবং অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। তার পরিবর্তে যে সমস্ত জবা এদেশে সহজে বেঁচে থাকে। বিদেশি জবার সঙ্গে দেশীয় জবার ক্রস বেডিং করিয়ে অনেক বেশি সুন্দরের জবা সৃষ্টি হয়েছে। যেগুলি খুব সহজে আমাদের দেশের আবহাওয়ায় জন্মাতে পারে। তাই প্রথমে এই সমস্ত দেশীয় গাছ লাগিয়ে অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের পর। বিদেশি প্রজাতির জবা চাষ অনেক সুবিধাজনক বলেই জানাচ্ছেন অভিজ্ঞ জবা পালনকারীরা।
আরও পড়ুন: হাওড়া – গুহাহাটি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে যাত্রা আরও আকর্ষণীয়! থাকছে বাঙালি থালি
এ বিষয়ে অভিজ্ঞ প্রায় ২ দশকের জবা গাছ পালনে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শেখর কুমার দাস জানান, জবার প্রতি আকৃষ্ট হলে প্রথমে বিদেশি ভ্যারাইটি না গাছ লাগানোই বেশি ভাল। প্রথমে ইন্ডিয়ান ভ্যারাইটি টপিকল জবা গাছ লাগিয়ে যেকোনও উদ্যোগী শুরু করতে পারেন জবা পালন। তিনি আরও বলেন, বেশি সার বেশি খাবার দিলেই গাছ ভাল হবে না। গাছ পরিচর্যার জন্য তার প্রকৃত বৃদ্ধি প্রকৃত সৌন্দর্য বজায় রাখার সুযোগ দিতে হবে। প্রথমে সাধারণ মাটিতে গাছ লাগিয়ে, কিছুদিন পর খাবার দেওয়া প্রয়োজন। গাছ মাটিতে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। যদিও গোলাপের মত বেশি খাবারের প্রয়োজন হয় না আবার খুব কমও নয়।





