Thyroid Hormone Imbalance: থাইরয়েড হয়েছে? এই হরমোনের ওঠাপড়ায় সন্তান ধারণ ক্ষমতা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়? চুল-ত্বকের দশাই বা কি হয়? জানাচ্ছেন চিকিৎসক
- Published by:Rukmini Mazumder
- news18 bangla
Last Updated:
পৃথিবীতে অন্তত ১২ শতাংশ মানুষ থাইরয়েডজনিত সমস্যায় ভোগেন। মহিলারা বেশি আক্রান্ত হলেও মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা বহু মানুষের শরীরে দেখা দেয়। থাইরয়েড হরমোন মূলত বিপাকের ক্ষেত্রে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশের গঠনের জন্য গুরুত্ত্বপূর্ণ। কিন্তু এই হরমোনের মাত্রা শরীরে অত্যধিক বেশি বা কম হয়ে গেলে তা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করে।
আমাদের গলার সামনের দিকে প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থিটির নাম থাইরয়েড। মানুষের বৃদ্ধি, বিকাশ, শারীরবৃত্তিক আর বিপাকীয় নানা ক্রিয়া-প্রক্রিয়ার জন্য এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরয়েড হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। থাইরয়েড হরমোন মেটাবলিজম-এর হার ঠিক রাখে, শরীরের তাপমাত্রা, হার্ট রেট ও রক্তচাপ বজায় রাখে।
advertisement
থাইরয়েড গ্রন্থি সঠিকভাবে কাজ না করলে,অর্থাৎ হাইপোথাইরয়েডিজম (অল্প সক্রিয় থাইরয়েড) বা হাইপারথাইরয়েডিজম (অতিরিক্ত সক্রিয় থাইরয়েড) হলে, আগাগোড়া স্বাস্থই ভেঙে পড়ে। হরমোন বেশি নিঃসরণ হলে এক রকম সমস্যা হয়, মাত্রা কমে গেলে হয় আর এক রকম। কেউ স্থূলত্বের সমস্যায় ভোগেন, কারও আবার ওজন কমে যায়।রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থেকে হৃৎস্পন্দন ঠিক রাখা, বিপাকক্রিয়া- এই সব কিছুই নিয়ন্ত্রিত হয় থাইরয়েড গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোনের দ্বারা।
advertisement
থাইরয়েড হরমোনের মাত্রার হেরফের হলে ক্লান্তি, উদ্বেগ, বুক ধড়ফড়ানি, অল্পেই ঠান্ডা লাগা, ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়া-সহ নানা রকম উপসর্গ দেখা দেয়। থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য সঠিক না থাকলে প্রজননক্ষমতা, মানসিক স্বাস্থ্য এবং ত্বকের উপর বেশি প্রভাব পড়ে। যা বলছেন থানের কিমস হাসপাতালের কনসালট্যান্ট এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ডা. সুকৃতী মিশ্র--
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
মুড ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব-- হাইপোথাইরয়েডিজমের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্লান্তি, উৎসাহের অভাব, বিষণ্নতা, মনোযোগের ঘাটতি এবং স্মৃতিশক্তির সমস্যার মতো লক্ষণ দেখা যায়। অন্যদিকে, হাইপারথাইরয়েডিজম সাধারণত উদ্বেগ, খিটখিটে মেজাজ, অস্থিরতা, মুড সুইং এবং ঘুমের সমস্যার কারণ হয়। কিছু ক্ষেত্রে এই উপসর্গগুলি ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনের উপসর্গের সঙ্গে মিলে যায়, ফলে সঠিক রোগ নির্ণয়ে দেরি হয়।থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে মানসিক সুস্থতা ও কগনিটিভ ফাংশন উন্নত হয়।
advertisement
advertisement







