গত কয়েক বছরে গঙ্গারামপুরের মাটির ফিল্টারের চাহিদা সাঙ্ঘতিক বেড়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গণ্ডি পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলা-সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এখানকার শিল্পীদের আধুনিক ডিজাইন, উন্নত গুণমান মাটির ফিল্টারকে দিন দিন ক্রেতাদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। আগেকার সাধারণ মাটির পাত্রের পরিবর্তে এখন সুদৃশ্য এবং শৈল্পিক ডিজাইনের ফিল্টার তৈরি করছেন গঙ্গারামপুরের কারিগররা।
advertisement
মাটির ফিল্টার (প্রতীকী ছবি)
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের কাটিহাট এলাকায় শতাধিক মৃৎশিল্পীর বাস। যাদের মধ্যে অধিকাংশই মাটির ফিল্টার তৈরি করেন। এখানকার শিল্পীদের গড়া মাটির ফিল্টার মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন জায়গায় দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
মাটির ফিল্টার ব্যবহারের স্বাস্থ্যগত সুফল:
প্রাকৃতিক বিশুদ্ধিকরণ: এই ফিল্টারগুলি কোন ক্ষতিকারক রাসায়নিক ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে জল পরিষ্কার রাখে।
প্রাকৃতিক শীতলতা: মাটির ছিদ্রযুক্ত দেওয়াল দিয়ে জল চুঁইয়ে বাইরে আসার সময় বাষ্পীভবন ঘটে, যা জলকে প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা রাখে।
pH ভারসাম্য রক্ষা: মাটি স্বভাবগতভাবে ক্ষারীয়। যা পানীয় জলের অম্লতা বা অ্যাসিডিটি কমিয়ে শরীরে pH ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
খনিজ সমৃদ্ধ জল: মাটিতে থেকে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। যা প্রাকৃতিকভাবে জলের সঙ্গে মিশে জলের গুণমান বাড়ায়।
হজম ক্ষমতার উন্নতি: মাটির পাত্রে রাখা জল পান করলে শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া বা মেটাবলিজম ত্বরান্বিত হয়। যা আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
