প্রথমেই বিরিয়ানি বানানোর জন্য একে একে বেশ কয়েকটি মশলা তাওয়ায় ভেজে নিতে হবে। যেমন গোটা জিরে, গোল মরিচ, শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, শা-জিরে, জায়ফল, জয়িত্রী, বড় এলাচ এবং সবশেষে সামান্য পরিমাণ কসৌরি মেথি। এরপর একইসঙ্গে এই সমস্ত মশলা গুঁড়ো করার আগে ভাল করে শুকনো তাওয়ায় ভেজে নিতে হবে। এতে রান্নার স্বাদ দ্বিগুন বাড়ে। ভাজা হয়ে গেলে একটু ঠান্ডা করে একটা মিক্সিতে দিয়ে বেশ ভালভাবে ব্লেড করে নিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে মশলাগুলো যেন দানা দানা হয়ে না থাকে। এরপর একটি ছাঁকনিতে মশলাগুলো ঢেলে বেশ ভালভাবে ছেঁকে নিতে হবে। তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে বিরিয়ানির জন্য স্পেশ্যাল মশলা। এই মশলাতেই বাড়ির বিরিয়ানির স্বাদ হবে রেস্তোরাঁর মত। তবে, শুধু বিরিয়ানিতেই নয়, বিরিয়ানির মাংস রান্নার সময়েও এই মশলা ছড়িয়ে কষিয়ে নিতে হবে।
advertisement
এরপর বিরিয়ানির ভাত সেদ্ধ করার সময় জলে নুন ও সামান্য সাদা তেল মিশিয়ে নিতে হবে। বিরিয়ানির ভাত ৭০ শতাংশ হলেই অর্থাৎ যেন ঝরঝরে হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাশাপাশি পরিমাণ মত গোলাপ জল, কেওড়া জল, ও দু-তিন ফোঁটা মিঠা আতর দিয়ে একসঙ্গে ভালভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। আলাদা ভাবে দিলে কম বেশি পড়ে যাওয়ার চান্স থাকে।
এরপর একটা বড় ছড়ানো পাত্র নিয়ে তাতে বেশ কিছুটা ঘি চারিদিক থেকে লাগিয়ে নিয়ে একে একে কয়েক টুকরো মাংস তার উপর কিছুটা ভাতের লেয়ার পরিমাণ মত ফুড কালার, একসঙ্গে মিশিয়ে রাখা গোলাপ জল, কেওরা জল, আতর, বিরিয়ানির জন্য বানানো স্পেশ্যাল মশলা, কিছুটা ঘি, আবার কয়েক টুকরো মাংস, পরিমাণ মত ভাত, মাংসের গ্রেভি, ফুড কালার, গোলাপ জল, স্পেশ্যাল বিরিয়ানি মশলা ও সবশেষে উপর থেকে পেঁয়াজের বেরেস্তা দিয়ে কয়েকটা লেয়ার বানিয়ে নিতে হবে। এরপর পাত্রের মুখ ঢেকে চারিদিক থেকে আটা দিয়ে সিল করতে হবে, যাতে ভিতরের বাষ্প বাইরে বেরিয়ে না যায়। এভাবেই ১৫ থেকে ২০ মিনিট দম দেওয়ার পর পাত্রের মুখ খুলে নিলেই তৈরি রেস্তোরাঁ স্টাইলে বিরিয়ানি। দেখুন তো রেস্তোরাঁর মত স্বাদ পান কিনা।
সুস্মিতা গোস্বামী





