TRENDING:

Vande Matram Memories: মাঘী পূর্ণিমার রাতে লালগোলা রাজবাড়ির অতিথি নিবাসে সাহিত্যসম্রাটের বন্দে মাতরম্ রচনার স্মৃতিতে আলোকিত লালগোলার রাজ-স্মৃতি

Last Updated:
Vande Matram Memories: মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলাবাসীর কাছে এ এক গর্বের দিন। তার কারণ এই গ্রামে বসেই লেখা হয় " বন্দেমাতরম্"। এখানে বসেই লিখেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাই রবিবার রাতে গোটা লালগোলা কালীমন্দিরে মোমবাতি জ্বালিয়ে দিনটি পালন করা হয়।
advertisement
1/8
মাঘী পূর্ণিমায় সাহিত্যসম্রাটের বন্দে মাতরম্ রচনার স্মৃতিতে আলোকিত লালগোলার রাজ-স্মৃতি
লালগোলা, তন্ময় মন্ডল: রবিবার রাত ছিল মাঘীপূর্ণিমা তিথি! ১৮৭৪ খ্রীস্টাব্দে এই দিনে সাহিত্য সম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লালগোলা রাজ পরিবারের কালীমন্দিরে বসে রচনা করেন 'বন্দেমাতরম্' সঙ্গীত।
advertisement
2/8
মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলাবাসীর কাছে এ এক গর্বের দিন। তার কারণ এই গ্রামে বসেই লেখা হয় " বন্দেমাতরম্"। এখানে বসেই লিখেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাই রবিবার রাতে গোটা লালগোলা কালীমন্দিরে মোমবাতি জ্বালিয়ে দিনটি পালন করা হয়।এলাকার ইতিহাসবিদ সুমন বাবু তার উদ্যোগে এই মোমবাতি জ্বালিয়ে স্মরণীয় করে রাখা হয়। তার কথায়, যে বন্দেমাতরম্ সংগীত তা এখানে বসেই লেখা হয়েছিল।
advertisement
3/8
ব্রিটিশ শাসনের হাত থেকে ভারতকে স্বাধীন করতে বিপ্লবীরা 'রণধ্বনি' হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন 'বন্দে মাতরম' শব্দকে। যার অর্থ 'মা তোমাকে বন্দনা করি'। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর লেখা 'বন্দে মাতরম' প্রথমে গান হিসেবে লেখা হলেও ১৮৮২-তে তা 'আনন্দমঠ' উপন্যাসে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাঁর রচিত গানটি বহু যুগ ধরে অসংখ্য স্বাধীনতা সংগ্রামীকে দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করতে অনুপ্রাণিত করেছে।
advertisement
4/8
মাঘীপূর্ণিমা তিথিতে মুর্শিদাবাদের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন লালগোলা রাজবাড়ির পটভূমিকায় রাজার অতিথি নিবাসে বসে এই গান লিখেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র।
advertisement
5/8
'১৮৭৪-এর জানুয়ারির শেষ দিন এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন মাঘী পূর্ণিমা ছিল। লালগোলার মহারাজদের মূল নিবাস উত্তরপ্রদেশে হওয়ায় তাঁদের পরিবারে বড় করে দিনটি পালিত হতো। তখন উত্তরপ্রদেশ এবং অবিভক্ত বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচুর সন্ন্যাসী রাজ পরিবারের আমন্ত্রণে লালগোলায় আসতেন।
advertisement
6/8
সেই সর্বত্যাগী সন্ন্যাসীদের মাঝে রাজ পরিবারের জগদ্ধাত্রী ঠাকুর, মন্দিরে শৃঙ্খলিত কালী মায়ের মূর্তি এবং রাজগুরু পরিবারের দুর্গা মূর্তি দেখতে পেয়েছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র। লালগোলা রাজ পরিবারে মায়ের তিন ধরনের যে মূর্তি তিনি দেখেছিলেন তাঁর বর্ণনা আমরা আনন্দমঠ-এ দেখতে পাই।'
advertisement
7/8
সুমন বাবু জানিয়েছেন, সেখানে তিনি মুক্ত জগদ্ধাত্রী ঠাকুরকে 'ভারত মা' হিসেবে দেখে লিখেছিলেন 'মা যা ছিলেন', শৃঙ্খলিত কালীমূর্তিকে পরাধীন ভারতের সঙ্গে তুলনা করে লিখেছিলেন 'মা যা হয়েছেন' এবং রাজগুরু পরিবারের দুর্গামূর্তির সঙ্গে তিনি স্বাধীন ভারতের তুলনা করে লিখেছিলেন 'মা যা হইবেন'। এই ধরনের মন্দির ভারতবর্ষের আর কোথাও নেই, যা দেখে মনে হতে পারে বঙ্কিমচন্দ্র এই গান অন্য কোথাও লিখে থাকতে পারেন।
advertisement
8/8
বহু ইতিহাসবিদের কথায়, 'লালগোলা রাজবাড়িতে থাকাকালীন বঙ্কিমচন্দ্র কালীবাড়িতে ঢুকে ডান দিকের দোতলার একটি ছোট ঘরে বসে লিখতেন। বর্তমানে ঘরের ভিতরের অংশ ও সিঁড়ি ভেঙে পড়েছে। ১৮৬৮-তে রাজবাড়ির পক্ষ থেকে সেই অতিথি নিবাস তৈরি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেটি লালগোলার বিডিও অফিস হয়েছিল। তবে সংস্কারের অভাবে সেই ভবন এখন জীর্ণ।'
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Vande Matram Memories: মাঘী পূর্ণিমার রাতে লালগোলা রাজবাড়ির অতিথি নিবাসে সাহিত্যসম্রাটের বন্দে মাতরম্ রচনার স্মৃতিতে আলোকিত লালগোলার রাজ-স্মৃতি
স্বাস্থ্য এবং লাইফস্টাইলের (Lifestyle News in Bengali)সব খবরের আপডেট পান নিউজ 18 বাংলাতে ৷ যেখানে থাকছে হেলথ টিপস, বিউটি টিপস এবং ফ্যাশন টিপসও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং টপ হেডলাইনগুলি অনলাইনে নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিতে ৷ এর পাশাপাশি ডাউনলোড করুন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস-এ সব খবরের আপডেট পেতে ! News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল