Bankura Sweets Price Hike: মিষ্টিপ্রেমীদের পকেটে কোপ! বাঁকুড়ায় একলাফে অনেকটা বাড়ল রসগোল্লা-সন্দেশের দাম, মিষ্টির পিস কত? দেখে নিন তালিকা
- Reported by:Nilanjan Banerjee
- hyperlocal
- Published by:Ananya Chakraborty
Last Updated:
Bankura Sweets Price Hike: কাঁচামাল ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জেরে বাঁকুড়া শহরে মিষ্টির দাম বাড়ল। রসগোল্লা থেকে সন্দেশ—সবেতেই নতুন রেট কার্যকর হচ্ছে ২৮ জানুয়ারি থেকে, বাড়ছে সাধারণ মানুষের খরচ
বাঁকুড়া শহরে হঠাৎ করে মিষ্টির দামে বড়সড় পরিবর্তন ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। শহরের ব্যস্ত বাজার এলাকায় ঝুলে থাকা “বাঁকুড়া মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি”-র বিজ্ঞপ্তি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। সেখানে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে—কাঁচামালের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে মিষ্টির দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। (ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুধ, চিনি, ঘি, তেল, ময়দা, বেসনসহ বিভিন্ন উপকরণের দাম গত কয়েক মাসে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পরিবহণ ও উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামী ১৪৩২ বঙ্গাব্দের ১৪ই মাঘ (ইংরেজি ২৮ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
advertisement
নোটিস অনুযায়ী, রসগোল্লা, পান্তুয়া, দানাদার ও চমচমের মত জনপ্রিয় মিষ্টির দাম সর্বনিম্ন ৭ টাকা থেকে শুরু হচ্ছে। রসমালাই ও মালাইচপের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি পিস ১২ টাকা, সন্দেশ ১০ টাকা, মজা ৬–১০ টাকা এবং ক্ষীরকদম ১০ টাকা প্রতি পিস। ফলে উৎসব বা অতিথি আপ্যায়নে খরচ যে বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।
advertisement
advertisement
শুধু পিস নয়, কিলো দরে বিক্রি হওয়া মিষ্টির দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। চিঁড়ভাজা, বোঁদে, নিকৃতি, মিহিদানা, সীতাভোগ, মতিচুর, লাল দই, ছানার পায়েসসহ নানা আইটেমের নতুন দাম কিলো প্রতি ১৪০ টাকা থেকে শুরু করে ২৭০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসিক বাজেটের ওপর বাড়তি চাপ পড়বে বলে মনে করছেন অনেকে।
advertisement
সমিতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত এবং মিষ্টি ব্যবসায়ী সব্যসাচী নাগ বলেন, "সব মিলিয়ে, বাঁকুড়া শহরে মিষ্টির এই মূল্য পরিবর্তনকে অনেকেই দেখছেন টিকে থাকার এক বাস্তব পদক্ষেপ হিসেবে। কাঁচামালের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির মধ্যেও যেন মিষ্টির গুণমান ও স্বাদ বজায় রাখা যায়, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে একটি ভারসাম্য তৈরি হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে বাঁকুড়ার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টিশিল্প আরও সুসংগঠিত ও স্থিতিশীল হয়ে উঠবে—এমনই আশা।" (ছবি ও তথ্য নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)









