গ্রেফতার হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তাকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হয়েছিল। পাশাপাশি, তৃণমূল মহাসচিবের পদ থেকে পার্থকে সরানোর পাশাপাশি দল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ডও করা হয়। তা এখনও বহাল রয়েছে। জেলমুক্তির পরেও পার্থকে দলে ফেরানোর আগ্রহ দেখা যায়নি তৃণমূলে। তাই তাঁকে আবার টিকিট দেওয়া হবে না বলেই মনে করছিল রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
advertisement
প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে প্রথম বার বহুজাতিক সংস্থার চাকরি ছেড়ে বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী হন পার্থ। সে বার সিপিএমের দাপুটে নেতা নির্মল মুখোপাধ্যায়কে হারিয়ে বিধানসভার সদস্য হন পার্থ। ২০০৬ সালের তৃণমূলের ভরাডুবিতেও যে ৩০ জন বিধায়ক জয়ী হয়েছিলেন, তাঁদের এক জন ছিলেন পার্থ। সে বার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতার দায়িত্ব পার্থের কাঁধে দিয়েছিলেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পর ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ সালেও বেহালা পশ্চিম থেকে জয়ী হন পার্থ।
কিন্তু ২০২২ সালের ২২ জুলাই গভীর রাতে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ইডির হাতে গ্রেফতার হন তৎকালীন তৃণমূল মহাসচিব তথা শিল্পমন্ত্রী পার্থ। তার পর আর নিজের বিধানসভায় পা রাখতে পারেননি তিনি। তিন বছর তিন মাসের বেশি সময় জেলবন্দি থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে গত বছর নভেম্বর বাড়িতে ফেরেন। কিন্তু তার পর হাতে আঘাত পেয়ে তাঁকে এক মাসের বেশি সময় হাসপাতলে থাকতে হয়েছিল।
আরও পড়ুন: সব জল্পনার অবসান, বিজেপিতে যোগ দিয়েই বিধানসভার টিকিট পেলেন সন্তু পান! কোন কেন্দ্রের প্রার্থী?
পার্থর মতোই এবার বিধানসভায় টিকিট পেলেন না মানিক ভট্টাচার্যও। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় দু’বছর জেলবন্দি ছিলেন তিনি। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি তথা নদিয়ার পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর মানিককে গ্রেফতার করেছিল ইডি। দীর্ঘ দিন প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি ছিলেন মানিক। গ্রেফতারির ২৩ মাস পরে জামিন পান তিনি।
