২০১৯ সালের বিধানসভা উপ-নির্বাচনে খড়্গপুর বিধানসভা আসন প্রথমবার তৃণমূল জিতেছিল প্রদীপ সরকারের হাত ধরে। ২০১৫ সালে পুরসভা নির্বাচনে প্রথমবার লড়ে হয়েছিলেন খড়্গপুরের পুরপ্রধান। তবে ২০২১ সালে বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে এই প্রদীপকেই পরাজিত হতে হয়েছিল ৩ হাজার ৭০০ ভোটে।
১৯৯৩ সালে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন প্রদীপ সরকার। ২০১৯ সালের উপনির্বাচিনে খড়গপুর সদর থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন তিনি। তাঁর হাত ধরেই প্রথমবারের মত কোনও তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী খড়গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন। সেকথা ভোলেননি তৃণমূল নেত্রী। আস্থা রেখেছেন গতবারের পরাজয়ের পরও।
advertisement
এদিকে খড়্গপুরে ফিরেই পুরনো ফর্মে দিলীপ ঘোষ। কত ভোটে তিনি জয়ী হতে পারবেন বলে আত্মবিশ্বাসী? নিউজ এইট্টিন বাংলার প্রশ্নের উত্তরে মঙ্গলবার সকালেই তিনি জানান খড়গপুর তাঁর বরাবরের চেনা জায়গা এর আগে সেখান থেকেও তিনি প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। তবে এবার খড়্গপুরে ঐতিহাসিকভাবে এক লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ার লড়াইয়ে তিনি ভোটের ময়দানে নামছেন। সবমিলিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখবে কি খড়্গপুর?
প্রসঙ্গত, খড়্গপুর সদর বিধানসভা আসন বিজেপিরই দখলে ছিল বরাবর। বিধায়ক ছিলেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রের খবর, হিরণ মাঝেমধ্যে খড়্গপুরে এসে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ দেখভাল থেকে সংগঠনের কর্মীদের সঙ্গে কর্মসূচিতেও যোগ দিতেন। তবে, দিলীপও খড়গপুর ছাড়েননি। মাঝখানে রাজ্য বিজেপিতে কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়লেও যখনই রেলশহরে পা দিতেন লোকজন তাঁকে পুরনো মেজাজেই দেখতে পেতেন। সম্প্রতি দলে ফের তাঁর গুরুত্ব বাড়ায় এবং কলকাতায় ব্রিগেডে তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির আলাপচারিতায় দিলীপ অনুগামীদের আশা ছিল, হয়তো তিনিই প্রার্থী হবেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে কি জ্বলে উঠতে পারবেন তৃণমূলের প্রদীপ?
