বর্তমান সময়ে মাছ চাষের ক্ষেত্রে বাড়ছে মিশ্র ধরনের মাছ চাষ পদ্ধতি। এর পাশাপাশি মাছ চাষের পাশাপাশি একই জায়গায় অন্যান্য চাষের দিকে ঝুঁকছে মৎস্যচাষিরা। এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ কর্মসংস্থানের নতুন দিশা দেখাচ্ছে। বা বলা ভাল মাছ চাষ থেকে আয় অনেকটাই বাড়িয়ে তুলেছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম মাছ চাষের জন্য খ্যাতি লাভ করেছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ অবলম্বন করা হয়েছে। যার ফলে মাছ চাষ থেকে রোজকার অনেকটাই বেড়েছে মৎস্য চাষীদের। মৎস্য চাষিরা জলাশয়ে মাছ চাষের পাশাপাশি তার পাড়ে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি চাষ করছে। আবার কেউ কেউ অর্থকারী বাণিজ্যিক ফসলেরও চাষ করেছে।
advertisement
এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ কি? এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ হল। মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্রে একই সঙ্গে অন্যান্য চাষ করা। মাছ চাষ থেকে রোজকার বাড়ানো। যেমন একই পুকুরে রুই কাতলা মৃগেল মাছের এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কার্প মাছের চাষ হচ্ছে। আবার কোথাও মাছের পুকুরেই মাছ চাষের সঙ্গে কাঁকড়া চাষ। একই সঙ্গে একই জলাশয়ের পাড়ে হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি চাষ। আবার কোনও জলাশয়ের পারে বিভিন্ন ধরনের পাতাবাহারার চাষ করেছেন মৎস্য চাষিরা। মাছ চাষ একদিকে যেমন কাজের জন্য সময় কম লাগছে তেমনি খরচটাও অনেকটা কম হচ্ছে। অন্যদিকে আবার উৎপাদনও বাড়ছে। ফলে মৎস্যজীবীদের রোজগার বাড়াচ্ছে।
আরও পড়ুন: এবারের গরমে ফ্রিজ ভুলে যান! এই বোতলে জল থাকবে একেবারে ঠান্ডা, দাম মাত্র ১০০ টাকা থেকে শুরু
নন্দীগ্রামের মৎস্য সম্প্রসারণ আধিকারিক জানান, “ইন্ট্রিগেটেড ডাইভারসিটি অ্যাকোয়াকালচার মাছ চাষে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। কম পরিশ্রমে একই সঙ্গে মাছ উৎপাদনের পাশাপাশি শাকসবজির সহ অর্থকারী ফসলের উৎপাদন হচ্ছে একই জায়গায়। জীবন পুকুর বা জলাশয়ে মাছ চাষ আর তার পাড়ে উৎপাদন হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও অন্যান্য অর্থকারী ফসল। এর ফলে ওই মৎস্য চাষির রোজকার বাড়ছে। তাই এই পদ্ধতি মাছ চাষিদের জন্য লাভজনক।” আগামী দিনে এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ আরও বেশি করে কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেবে বলে মনে করছে মৎস্য দফতর।





