২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের তরফ থেকে প্রার্থী কেন্দ্র হিসেবে জানতে চাইলে দিলীপ ঘোষের প্রথম পছন্দ হিসেবে খড়্গপুরকেই জানান তিনি, এমনটাই বিশ্বস্ত সূত্রে খবর। শেষ মেশ প্রার্থী তালিকায় দেখা গেল খড়গপুর সদরেই দিলীপ ঘোষকে প্রার্থী করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বের তরফে।
advertisement
প্রার্থী তালিকায় তাঁর নাম প্রত্যাশিত ছিল। একপ্রকার নিশ্চিত ছিলেন দিলীপ ঘোষ নিজেও। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় তাঁর আগামী লক্ষ্য কী? কত ভোটে তিনি জয়ী হতে পারবেন বলে আত্মবিশ্বাসী? নিউজ এইট্টিন বাংলার প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ জানান, খড়গপুর তাঁর বরাবরের চেনা জায়গা এর আগে সেখান থেকেও তিনি প্রতিদ্বন্দিতা করেছেন, নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। তবে একইসঙ্গে তাঁর চ্যালেঞ্জ, “এবার খড়্গপুরে ঐতিহাসিকভাবে এক লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ার লড়াইয়ে তিনি ভোটের ময়দানে নামছেন। এছাড়াও তিনি বলেন দল দায়িত্ব দিয়েছে দলের মনে হয়েছে আমি যোগ্য তাই। সেই দায়িত্ব আমি নিশ্চয়ই পালন করব। বিজেপির প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি নিজেই। রেকর্ড ভাঙা এবং রেকর্ড নতুন করে তৈরি করাই বিজেপির কাজ।”
গত পাঁচ বছরে মেদিনীপুর কিংবা খড়্গপুরের দায়িত্বে না থাকলেও বারবার দিলীপ ঘোষকে দেখা গিয়েছে এলাকায় গিয়ে জনসংযোগ চা-চক্র কিংবা সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতে। কখনও দেখা গিয়েছে নিজেই পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন কখনও বা এলাকায় কর্মীদের সঙ্গে আড্ডায় মছেছেন। সবটা মিলিয়ে শক্ত জমি কতখানি অটুট রাখতে পেরেছেন দিলীপ ঘোষ খড়্গপুরের মাটিতে কিংবা গত ৫ বছরের রাজনৈতিক সমীকরণে কতখানি বদলে গিয়েছে, দিলীপ ঘোষের চেনা খড়গপুর তার উত্তর মিলবে আগামী চৌঠা মে।
